আজ ৯ ডিসেম্বর বেগম রোকেয়া দিবস। নারী উন্নয়নের পথিকৃৎ এই মহীয়সী নারী রংপুরের পায়রাবন্দে জন্মগ্রহণ করেন এবং একই দিনে তিনি মৃত্যুবরণ করেন। এবছর তার ১৩৫তম জন্মদিন ও ৮৩তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত হবে।
দিবসটি উপলক্ষে সরকারি ও বেসরকারি সংগঠনগুলো দেশব্যাপী নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। ‘মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে প্রতি বছরের ন্যায় এবারও ‘বেগম রোকেয়া দিবস’ উদ্যাপন এবং ‘বেগম রোকেয়া পদক-২০১৫’ প্রদান করবে।
দিবসটি উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বিএনপি নেত্রী খালেদা জিয়া পৃথক বাণী দিয়েছেন। বেগম রোকেয়ার জন্মদিন উপলক্ষে তার জন্মস্থান রংপুরের পায়রাবন্দ গ্রামে তিন দিনব্যাপী কর্মসূচি হাতে নিয়েছে জেলা ও মিঠাপুকুর উপজেলা প্রশাসন।
এদিকে এ বছর রোকেয়া পদক পাচ্ছেন মরহুম ড. তাইবুন নাহার রশীদ ও বিবি রাসেল। আজ বুধবার রাজধানীর ওসমানী মিলনায়তনে পুরস্কার তুলে দেয়া হবে। পুরস্কার হিসেবে দেয়া হবে এককালীন এক লাখ টাকা, আঠার ক্যারেট মানের ২৫ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক এবং একটি সম্মাননা পত্র।
ড. তাইবুন নাহার রশীদ (কবিরত্ন, ডি.লিট) ১৯১৯ সালে ৫ মে ঢাকা জেলার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দেশ-বিদেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতকোত্তর ও উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেন।
অন্যদিকে বিবি রাসেল ১৯৫০ সালে চট্টগ্রামে এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৬৭ সালে গার্হস্থ্য অর্থনীতি কলেজ থেকে এইচএসসি এবং ১৯৭৫ সালে ফ্যাশন ডিজাইনে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। রোকেয়া দিবস উপলক্ষে বাংলা একাডেমিতে প্রবন্ধ পাঠ ও আলোচনা সভা, বিকাল ৪টায়, কবি শামসুর রাহমান সেমিনার কক্ষে।
২০০১ সালে ৩ দশমিক ১৫ একর জমির উপর বেগম রোকেয়া স্মৃতিকেন্দ্রের উদ্বোধন হয়। এক পর্যায়ে বন্ধ হয়ে যায় এর নির্মাণ কাজ। এতে হতাশ এ অঞ্চলের মানুষ। আবারো কাজ শুরু করার আশ্বাস দিয়েছে জেলা প্রশাসন। বেগম রোকেয়ার আদর্শে এগিয়ে যাবে দেশের সকল নারী এ প্রত্যাশা সবার।


