চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলার সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের গুলিতে এক যুবক নিহত হয়েছেন। গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত ১টার দিকে উপজেলার ঠাকুরপুর ৯১ নম্বর প্রধান খুঁটির পূর্বপাশে এ ঘটনা ঘটে। নিহত রুহুল আমিন (৩০) উপজেলার শোবলপুর গ্রামের বাবলু মিয়ার ছেলে।
তবে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছে, গরু ব্যবসায়ী রুহুল আমিন বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নাগরিক ছিলেন। তাঁর মরদেহ ভারতীয় কর্তৃপক্ষের কাছে রয়েছে। তিনি বিএসএফ সদস্যের ওপর হামলার ঘটনায় দায়ের করা একটি মামলার আসামি ছিলেন।
আজ শুক্রবার সকালে চুয়াডাঙ্গা বিজিবি কমান্ডার লেফটেন্যান্ট কর্নেল এস এম মনিরুজ্জামান জানান, রাতে ভারত থেকে গরু নিয়ে ফিরছিলেন রুহুল আমিন ও তাঁর সঙ্গীরা। এ সময় ঠাকুরপুর সীমান্তের বিপরীতে বিএসএফের রাঙিয়ার কোটা ক্যাম্প থেকে তাঁদের উদ্দেশে গুলি ছোড়া হয়। গুলিতে ভারতীয় এলাকাতেই রুহুল আমিন নিহত হন।
বিজিবি কমান্ডার আরো বলেন, ‘আমরা খোঁজ নিয়ে জেনেছি, রুহুল বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ নাগরিক ছিলেন। তিনি ভারতের চাপড়া গ্রামেও থাকতেন। কিছুদিন আগে সীমান্তে এক বিএসএফ সদস্যকে অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে আহত করে দুর্বৃত্তরা। এ ঘটনার দায়ের করা মামলায় রুহুল আসামি ছিলেন।’
রুহুল আমিনের লাশ ভারতে আছে। তবে লাশ বাংলাদেশে ফেরত দেওয়া হবে কি না, এ ব্যাপারে এখনো বিএসএফের পক্ষ থেকে কিছু জানানো হয়নি বলে জানান বিজিবির কর্মকর্তা।


