আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম ১১ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। তবে দেশে দাম কমানোর কোন সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। গ্যাসের ওপর চাপ কমাতে পেট্রল ও অকটেনের দাম কমানো যেতে পারে, বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
বিশ্ববাজারে গত দেড় বছর ক্রমান্বয়ে কমেছে জ্বালানি তেলের দাম। ডিসেম্বরের তৃতীয় সপ্তাহে প্রতি ব্যারেল অশোধিত তেলের দাম নেমে এসেছে ৩০ ডলারের কাছাকাছি। যা গত ১১ বছরের মধ্যে সবচেয়ে কম।
কিন্তু এর প্রভাব নেই দেশের বাজারে। ব্যবসায়ীদের পক্ষ থেকে দাম কমানোর আহ্বানও জানানো হলেও কাজ হয়নি। এ নিয়ে সরকারের মধ্যও রয়েছে পক্ষে বিপক্ষের নানা যুক্তি। কয়েক মাস আগে দাম কমানোর কথা বলেছিলেন অর্থমন্ত্রীও।
বাংলাদশে পেট্রলয়িাম কর্পোরশেন বিপিসি সবশেষ ৩০ হাজার টন ডিজেলের জন্য এক কোটি ৪৫ হাজার ডলার বিল পরিশোধ করে। কেনার দাম হিসেবে প্রতিলিটার ডিজেলের দাম পড়েছে ৩২ টাকার মতো।
সরকার সস্তায় তেল কিনলেও এখনই বিক্রয়মূল্য কমাতে চায় না এমনটাই জানান, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ।
ডিজেলের দাম কমালে ভোক্তা সরাসরি এর উপকারভোগী হয় না, সেক্ষেত্রে পেট্রল-অকটেনের দাম কমানো যেতে পারে বলে মনে করেন বিশেষজ্ঞরা ।
জ্বালানি তেলের দামের বর্তমান পরিস্থিতির সুফল অবশ্য পেয়েছে বিপিসি। গত অর্থবছরে তাদের মুনাফা প্রায় ৫ হাজার কোটি টাকা। আর চলতি অর্থবছরের প্রথম তিন মাসে লাভ হয়েছে প্রায় ২ হাজার কোটি টাকা।


