বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

৪ আইজিডব্লিউ অপারেটরের লাইসেন্স বাতিল

BTRC-ddআইজিডাব্লিউ (ইন্টারন্যাশনাল গেটওয়ে) গাইডলাইনস ও লাইসেন্সের শর্ত ভঙ্গ করায় ৪ আইজিডাব্লিউ অপারেটরের লাইসেন্স বাতিল করেছে টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিটিআরসি। ৪ অপারেটর হলো সংসদ সদস্য শামীম ওসমানের পারিবারিক প্রতিষ্ঠান কে টেলিকমিউনিকেশন্স লিমিটেড, সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জাহাঙ্গীর কবির নানকের স্ত্রী ও মেয়ের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠান রাতুল টেলিকম লিমিটেড, টেলেক্স লিমিটেড ও ভিশনটেল লিমিটেড।

বিটিআরসির লিগ্যাল ও লাইসেন্সিং বিভাগের পরিচালক এম এ তালেব হোসেন (লাইসেন্সিং) স্বাক্ষরিত ২৮ ডিসেম্বরের এক বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বাতিল হওয়া লাইসেন্সের অধীনে যেকোনও কার্যক্রম সম্পাদন করা হবে অবৈধ এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০০১–এর অধীন শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছে, কে টেলিকমিউনিকেশন্স লিমিটেড ও রাতুল টেলিকম লিমিটেডের লাইসেন্স ২০১৫ সালের ৩১ মে এবং টেলেক্স লিমিটেড ও ভিশনটেল লিমিটেডের লাইসেন্স ২০১৫ সালের ১৬ জুন থেকে (উল্লেখিত তারিখে) বাতিল করা হয়েছে।

বিটিআরসি উল্লেখিত চার প্রতিষ্ঠানকে সংশ্লিষ্ট সব ধরনের কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছে এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে যেকোনও ধরনের টেলিযোগাযোগ চুক্তি সম্পাদনসহ সেবা প্রদান ও গ্রহণ এবং এর বিপরীতে আর্থিক লেনদেন না করতে অনুরোধ করেছে।

বিটিআরসির সহকারী পরিচালক জাকির হোসেন খান বলেন, ৪টি অপারেটরের লাইসেন্স চূড়ান্তভাবে বাতিল হয়েছে। প্রতিষ্ঠানগুলো থেকে সংশ্লিষ্ট সবাইকে সতর্ক থাকার জন্যই কমিশন বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে।

বাতিল হওয়া কে টেলিকমিউনিকেশন্স লিমিটেড-এর নথি ঘেঁটে দেখা গেছে এই প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স নেওয়া হয়েছিল শামীম ওসমানের স্ত্রী সালমা ওসমান (শেয়ার সংখ্যা ২,৫০০) ও পুত্র ইমতিনান ওসমানসহ (২,৫০০ শেয়ার) তানভীর আহমেদ (১,২৫০), জয়নুল আবেদীন মোল্যা ও জাহাঙ্গীর হোসাইন মোল্যার নামে। যদিও পরবর্তী সময়ে মালিকানা বদলের কথা লেখা রয়েছে নথিতে।

এদিকে রাতুল টেলিকমের লাইসেন্স নেওয়া হয়েছিল সাবেক সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর কবির নানকের মেয়ে সৈয়দা আমরীন রাখি (২৩ হাজার শেয়ার) সহ আরও ৫ জনের নামে। যদিও শেষ পর্যন্ত এই প্রতিষ্ঠানটির মালিকানাও বদল হয়েছে। লাইসেন্স বাতিল হওয়ার আগ পর্যন্ত প্রতিষ্ঠানটিতে শেয়ার ছিল জাহাঙ্গীর কবির নানকের স্ত্রী সৈয়দা আরজুমান বানু (শেয়ার সংখ্যা ৩০ হাজার) ও মেয়ে সৈয়দা আমরীন রাখি (৫০ হাজার শেয়ার) ও মাসুদুর রহমান নামের এক অংশীদারের (২০ হাজার শেয়ার)।

আরও পড়ুন