জাতীয় পতাকার রূপকার ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক, কাজী আরেফ হত্যা মামলায় মৃত্যুদন্ড পাওয়া দুই আসামির রায় কার্যকর হওয়ার পথে রয়েছে। এরইমধ্যে রাষ্ট্রপতির কাছে তাদের প্রাণভিক্ষার আবেদনও নাকচ হয়ে গেছে। রায় দ্রুত কার্যকরের পাশাপাশি দণ্ডপ্রাপ্ত পলাতক আসামিদের গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন, নিহতের স্বজনরা।
আলোরমুখ দেখতে চলেছে, কুষ্টিয়ার জাসদ নেতা ও মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক কাজী আরিফ আহমেদ হত্যা মামলার রায় কার্যকরের বিষয়টি।
ফাঁসির দন্ড পাওয়া ৯ আসামির মধ্যে ৩ জনের রায় কার্যকর হতে পারে যে কোনোদিন।
কাজী আরেফ হত্যা মামলায় ২০০২ সালে ১০ জনের ফাঁসি ও ১২ আসামিকে যাবজ্জীবন সাজা দেন, কুষ্টিয়া জেলা জজ আদালত। তবে, ফাসির দণ্ড পাওয়া ৬ আসামি পলাতক ছিলো। ২০০৮ সালে এক ফাঁসির আসামি ও যাবজ্জীবন সাজা পাওয়া ১২ জনকে আপিলে খালাস দেন, হাইকোর্ট। এতে খালাস পাওয়া সব আসামীর বিরুদ্ধে লিভ টু আপিল করে রাষ্ট্রপক্ষ। আর খালাসে আবেদন করে, মৃত্যদণ্ড পাওয়া তিন আসামি রাশেদুল ইসলাম, আনোয়ার হোসেন ও ইলিয়াস হোসেন। হাইকোর্টের রায়ই বহাল রাখেন, আপিল বিভাগ। পরে, রিভিউ আবেদন করে, রাশেদুল ও আনোয়ার। তবে, সেখানেও তাদের ফাঁসির দণ্ড বহাল থাকে। আর কারাগারেই মারা যান, ইলিয়াস।
রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চান, ফাঁসির দণ্ড পাওয়া রাশেদুল ও আনোয়ার। তবে, তা নাকচ কোরে দিয়েছেন, রাষ্ট্রপতি। তাই রায় কার্যকরে আর কোনো আইনি বাধা নেই।
১৯৯৯ সালের ১৬ ফেব্রুয়ারি, কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে সন্ত্রাস বিরোধী জনসভায় ভাষণ দেয়ার সময়, চরমপন্থিদের গুলিতে কাজী আরেফসহ নিহত হন, বেশ কয়েকজন।


