হলমার্ক কেলেঙ্কারির নন-ফান্ডেড অংশের (দ্বিতীয় অংশ) প্রায় দেড় হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ অনুসন্ধানে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ৫ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে।
রবিবার সকাল পৌনে ১০টা থেকে রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে তাদের জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়েছে।
দুদকের পরিচালক মীর মোঃ জয়নুল আবেদীন শিবলীর নেতৃত্বাধীন একটি টিম তাদের জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। এই জিজ্ঞাসাবাদ দুপুর পর্যন্ত চলবে।
সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের কর্মকর্তারা হলেন- সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের নারায়ণগঞ্জ শাখার এভিপি মোঃ নুরুল আলম, একই শাখার এফএভিপি গাজী মোঃ নাজমুল আলম, এফএভিপি মোঃ শাহীন হোসেন, সিনিয়র অফিসার মোঃ মাহবুবুর রহমান ও গোপালদী শাখার এসএভিপি মোঃ রেজাউর রহমান।
উল্লিখিত কর্মকর্তারা ২০১০ থেকে ২০১২ সালে সোস্যাল ইসলামী ব্যাংকের ওই শাখায় কর্মরত ছিলেন।
দুদক সূত্রে জানা যায়, প্রায় পৌনে ২ বছর পর সোনালী ব্যাংকের হোটেল শেরাটন শাখা থেকে হলমার্ক গ্রুপসহ ৬টি প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে ইস্যুকৃত ব্যাংক-টু-ব্যাক এলসির বিপরীতে প্রদত্ত এঙেপ্টেন্স তথা নন-ফান্ডেড দায় সংক্রান্ত এ অভিযোগের অনুসন্ধান কাজ পুনরায় শুরু করেছে কমিশন।
হলমার্ক ও তার ৫ সহযোগী প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ফান্ডেড, নন-ফান্ডেডসহ মোট ৩ হাজার ৪৬৮ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে রয়েছে। এর মধ্যে ফান্ডেড অংশের তদন্ত শেষ করেছে কমিশন। ফান্ডেড অংশে দায়ের করা মোট ৩৮টি মামলার বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য মামলাগুলোর চার্জশিট ইতোধ্যেই আদালতে দাখিল করা হয়েছে।
আর হলমার্কের নন-ফান্ডেড অংশের সঙ্গে ৩৭টি ব্যাংকের ১২০টি শাখায় সম্পৃক্ততা রয়েছে। এ সব ব্যাংক থেকে হলমার্ক নগদ হাতিয়ে নিয়েছে ১ হাজার ৫৩৮ কোটি ৮২ লাখ টাকা।


