বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

এমপিওভুক্ত হচ্ছেন ৩ হাজার ৯৮১ শিক্ষক-কর্মচারী

photo-1446543525হাজার হাজার আবেদন থাকলেও ৩ হাজার ৯৮১ জন শিক্ষক ও কর্মচারীকে নতুন এমপিওভুক্তির সিদ্ধান্ত নিয়েছে এমপিও কমিটি। রোববার অনুষ্ঠিত এমপিওভুক্তির সভায় এমপিওভুক্ত স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শুন্যপদে বিধিমোতাবেক নিয়োগপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠান প্রধান, প্রভাষক, সহকারি শিক্ষক ও সহকারি গ্রন্থাগারিকদের এমপিওভুক্ত করা হয়েছে।

মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ফাহিমা খাতুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় আরো কয়েকশ জনকে বিএড স্কেল, সহকারি অধ্যাপক ও অন্যান্য সুবিধা দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। বিকেল চারটায় শুরু হয়ে সভা শেষ হয় সন্ধ্যায়।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক কয়েকজন কর্মকর্তা নিউজওয়ার্ল্ডবিডি ডট কমকে জানান, উৎপাদন ব্যবস্থাপনা ও বিপনন, আইসিটি শিক্ষকসহ অন্যান্য এমপিওপ্রত্যাশী কাউকেই এমপিওভুক্তির কোনও আলোচনাও হয়নি আজকের সভায়।

বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার বর্তমানে ৫ লাখ এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারী রয়েছেন।

অর্থমন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, নতুন বেতন স্কেলে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের প্রায় ৪৪ ভাগ বেতন বেড়েছে। ফলে এ খাতে সরকারের ব্যয় বেড়েছে বছরে ৫ হাজার ৩৫৫ কোটি টাকা।

নতুন স্কেলে এমপিওভুক্ত কলেজের একজন প্রভাষকের মূল বেতন হবে ২২ হাজার টাকা (নবম গ্রেড)। বর্তমানে তারা ১১ হাজার টাকা পাচ্ছেন। সহকারী অধ্যাপকরা পাবেন ৩৫ হাজার ৫০০ টাকা (ষষ্ঠ গ্রেড)। এখন পাচ্ছেন ১৮ হাজার ৫০০ টাকা। আর অধ্যক্ষদের হবে প্রায় ৫০ হাজার টাকা। এত দিন পাচ্ছিলেন ২৫ হাজার ৭৫০ টাকা।

আর বেসরকারি হাইস্কুলের সহকারী শিক্ষকের মূল বেতন হবে ১০ম গ্রেডে ১৬ হাজার টাকা। এখন পাচ্ছেন আট হাজার টাকা। আর জ্যেষ্ঠ সহকারী শিক্ষকের বেতন হবে ২২ হাজার টাকা (নবম গ্রেড)। এখন পান ১১ হাজার টাকা। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীরা মূল বেতনের শতভাগ সরকার থেকে পেয়ে থাকেন।

অন্যদিকে নতুন স্কেলে বেতন-ভাতা প্রদানে বিলম্ব হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন শিক্ষকরা। নতুন স্কেলে বেতন-ভাতা প্রদানের দাবিতে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের উদ্যোগে সকল জেলায় মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।

আরও পড়ুন