বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

সম্পদের তথ্য গোপন : নোমানের বিরুদ্ধে মামলা চলবে

noman1_2427বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুল্লাহ আল নোমানের বিরুদ্ধে সম্পদের তথ্য গোপন করার অভিযোগে দায়ের করা দুদকের মামলা বাতিলের আবেদন উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। ফলে নিম্ন আদালতে দুদকের করা মামলাটি চলতে আর কোনো বাধা নেই।

সোমবার মামলা বাতিলে হাইকোর্টের আদেশের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানি শেষে প্রধান বিচারপতি সুরেন্দ্র কুমার সিনহার নেতৃত্বে চার সদস্যর বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

বেঞ্চের অপর সদস্যরা হলেন- বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা, বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন ও বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকী।
মামলাটির বাদী দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। সংস্থাটির পক্ষে আদালতে উপস্থিত ছিলেন অ্যাডভোকেট খুরশিদ আলম খান, আবদুল্লাহ আল নোমানের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন।

দুর্নীতি দমন কমিশনের কৌঁসুলি খুরশীদ আলম খান জানান, নোমানের আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন এ আবেদনের বিষয়ে আদালতে শুনানি করার অপারগতা প্রকাশ করলে আবেদনটি নট প্রেস রিজেক্ট (উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ) করা হয়। এর ফলে নিম্ন আদালতে দুদকের করা মামলাটি চলবে।

তিনি বলেন, ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে নোমানের এ মামলাটি বিচারাধীন। সাক্ষ্যগ্রহণ চলছে। আপিল বিভাগের আদেশের ফলে এ মামলাটি নিম্ন আদালতে চলতে বাধা নেই।

মামলার এজাহারে বলা হয়, দুর্নীতি দমন ব্যুরোর পক্ষে আবদুল্লাহ আল জাহিদ ১৯৯৭ সালের ৭ অগাস্ট সম্পদের তথ্য বিবরণী চেয়ে নোমানকে চিঠি দেন। ওই সময়ের আইন অনুসারে ৪৫ দিনের মধ্যে সম্পদের তথ্য দাখিলের বিধান থাকলেও তিনি তা করেননি। এমনকি সময় বাড়ানোর আবেদনও করেননি।

এই মামলায় ২০০৯ সালে নোমানের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করা হলে তা বাতিল চেয়ে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ওই বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি হাইকোর্টের একটি বেঞ্চ রুল জারির পাশাপাশি মামলার কার্যক্রমে স্থগিতাদেশ দেয়।

পরে চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে ২০১৩ সালের ২৪ জানুয়ারি হাই কোর্ট রুল খারিজ করে রায় দেয়। এর বিরুদ্ধে নোমান আবেদন করলে হাই কোর্টের রায়ের কার্যকারিতা স্থগিত করে চেম্বার বিচারপতি বিষয়টি নিয়মিত বেঞ্চে শুনানির জন্য পাঠিয়ে দেন। এর ধারাবাহিকতায় লিভ টু আপিল করেন নোমান যার ওপর শুনানি শেষে সোমবার তা খারিজ করে দেওয়া হয়। গত ১৯৯৮ সালের ১৯ অগাস্ট সম্পদের হিসাব না দেয়ার অভিযোগে নোমানের বিরুদ্ধে ধানমন্ডি থানায় এই মামলা করেন বিলুপ্ত দুর্নীতি দমন ব্যুরোর কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল জাহিদ।

আরও পড়ুন