উত্তর আটলান্টিক সাগরে ১৯১২ সালে ডুবে যাওয়া বিশ্বের বহুল আলোচিত জাহাজ টাইটানিক নিয়ে জল্পনা-কল্পনার অন্ত নেই।
এ নিয়ে বানানো হয়েছে একাধিক চলচ্চিত্র। তবু উৎসাহ কমেনি। এবার ওই জাহাজের আদলে বানানো হবে আরেকটি। নাম হবে টাইটানিক-২। খবর বেলফাস্ট টেলিগ্রাফের।
অস্ট্রেলিয়ার কোটিপতি ক্লিভ পালমার ও তার প্রতিষ্ঠান ব্লূ-স্টার লাইন বানাচ্ছে ঐতিহাসিক জাহাজ। টাইটানিক ডুবে যাওয়ার প্রায় ১০৬ বছর পর ২০১৮ সালে পানিতে ভাসবে টাইটানিক-২।
তবে আগের টাইটানিকের মতোই এ জাহাজটির সঙ্গে থাকবে পর্যাপ্ত সংখ্যক ছোট নৌকা (লাইফ বোট)। তবে আধুনিক প্রযুক্তিতে বানানো ওই নৌকাগুলোও আসল টাইটানিকের লাইফ বোটগুলোর মতো অবিকল ঢঙে বানানো হবে।
১৯১২ সালের ১৫ এপ্রিল উত্তর আটলান্টিক সাগরে বরফের পাহাড়ের সঙ্গে ধাক্কা খেয়ে ডুবে যায় আসল টাইটানিক জাহাজ। এ ঘটনায় দেড় হাজারের বেশি যাত্রী ও নাবিক প্রাণ হারান।
বেলফাস্ট টেলিগ্রাফের ওই প্রতিবেদনে বলা হয়, টাইটানিক-২ জাহাজের দৈর্ঘ্য ২৭০ মিটার ও উচ্চতা ৫৩ মিটার হবে। নয় তলাবিশিষ্ট জাহাজটিতে ৮৪০টি কেবিন থাকবে। এটি দুই হাজার ৪০০ জন যাত্রী ও ৯০০ নাবিক ধারণ করতে পারবে। এতে সুইমিংপুল ও ব্যায়ামাগার থাকবে।
জাহাজটি ৪০ হাজার টন ওজন বহন করতে পারবে। আর আসল টাইটানিকের মতো এ জাহাজেও প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় শ্রেণির টিকেটের ব্যবস্থা থাকবে।
ব্লু-স্টার লাইনের বিপণন বিভাগের পরিচালক জেমস ম্যাকডোনাল্ড বলেন, নতুন টাইটানিকে অবশ্যই আধুনিক প্রযুক্তির সব ব্যবস্থা থাকবে। এতে আধুনিক নিষ্কাশন ব্যবস্থা, স্যাটেলাইটের নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থা ও এ শতকের যাবতীয় সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যাবে।


