বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

যার প্রেমে দ্বিতীয় সংসার ভাঙল সঙ্গীতশিল্পী রুমির

Rumi-new-loveসঙ্গীতশিল্পী আরফিন রুমি প্রেম রোগে ভুগছেন। এই কঠিন রোগ থেকে তিনি মুক্ত হতে পারছেন না। তৃতীয় প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন রুমি।

তালাক পাওয়া দ্বিতীয় স্ত্রী কামরুন্নেসা জানান, ‘কণ্ঠশিল্পী সেনিজের প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন রুমি। কিছুদিন আগে সেনিজের ‘প্রাণ বন্ধুয়া’ গানটির মিউজিক ভিডিওর শুটিং করতে একদিনের জন্য ঢাকার বাইরে যান রুমি ও সেনিজ। একদিনে শুটিং শেষ হলেও রুমি ও সেনিজ সেখানে আরও কয়েক দিন থেকে যায়।’

তিনি আরও জানান, ‘সেনিজ কখন বাসায় আসতো। কখন তাঁর রেকডিং হতো কিছুই আমাকে বলতো না রুমি। আমার আড়ালে সেনিজের সঙ্গে তিনি মেলামেশা করতেন।’

দ্বিতীয় সংসার জীবনে থিতু হতে পারলেন না জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আরফিন রুমি। আবার ভাঙল তার সাজানো ঘর। যে ঘরের দায়ে হারিয়েছিলেন প্রথম স্ত্রী-সন্তানকে। খেটেছেন জেল-জরিমানাও। অনেকাংশে জলাঞ্জলি দিতে হলো আকাশছোঁয়া সংগীত জনপ্রিয়তাও।
গত ৩১ জানুয়ারি সেই তালাকপত্র যুক্তরাষ্ট্রের ঠিকানায় পাঠানো হয়েছে। একই সঙ্গে মঙ্গলবার রুমির আইনজীবী আবদুর রহিম কামরুন্নেসার বাবাকে ফোন করে তালাকপত্র  পাঠানোর বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

কামরুন্নেসা তার ছেলে আয়ানসহ গত ছয় মাস ধরে আমেরিকায় তার বাবার সঙ্গে বসবাস করছেন বলেও জানা গেছে।

ডিভোর্সের কারণ হিসেবে রুমি উল্লেখ করেন-  মানসিক নির্যাতন, আগের স্বামীর সঙ্গে মেলামেশা, বেপরোয়া চলাফেরা ও কাউকে তোয়াক্কা না করাসহ আরও কিছু কারণ।

ডিভোর্সের কারণ সম্পর্কে রুমি জানান, বিয়ের পর থেকে গত আড়াই বছর ধরে কামরুননেসা তাকে ও তার মাকে মানসিক নির্যাতন করে আসছিল। তবুও সংসার টিকিয়ে রাখার জন্য তিনি এতদিন সব সহ্য করেছেন।

রুমি বলেন, ‘কামরুন্নেসা তার  প্রথম স্বামীকে তালাক দিয়ে আমাকে বিয়ে করেছিল। কিন্তু খবর পেলাম, এবার সে আমেরিকায় গিয়ে আগের স্বামীর সঙ্গে  নিয়মিত মেলামেশা করছে।’ এ ঘটনা কামরুন্নেসার পরিবারকেও বারবার জানিয়েছেন বলে উল্লেখ করেন রুমি। কোনও সুরাহা না হওয়ায় কামরুন্নেসাকে তালাক দিতে বাধ্য হন তিনি।

উল্লেখ্য, আমেরিকায় স্টেজ শো করতে গিয়ে ২০১২ সালে তার গানের ভক্ত কামরুন্নেসার সঙ্গে পরিচয় হয় রুমির। এরপর চোখের পলকেই প্রেম ও নাটকীয় কায়দায় বিয়ে। তারপর প্রথম স্ত্রী অনন্যাকে তালাক এবং এর দায়ে জেল-জরিমানাও ভোগ করতে হয়েছে রুমিকে।

আরও পড়ুন