বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

বিজিবিকে বাদ দিয়ে ইউপি নির্বাচনে নিরাপত্তার চিন্তা ইসির

news_imgঅতীতে সব নির্বাচনে নিয়মিত আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি বিজিবির সদস্যরা দায়িত্ব পালন করলেও প্রথমবারের মতো দলীয় প্রতীকে হতে যাওয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে ছাড়াই নিরাপত্তা দেওয়ার পরিকল্পনা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

নির্বাচন উপযোগী চার হাজার ২৭৯টি ইউনিয়ন পরিষদের মধ্যে আগামী ২২ মার্চ প্রথম ধাপে ৭৩৯টিতে ভোট হচ্ছে। পর্যায়ক্রমে আরও পাঁচ ধাপে ভোট হবে।

দলীয়ভাবে ভোট আয়োজনের বিরোধিতা করে বিএনপির পক্ষ থেকে রোববার প্রধান নির্বাচন কমিশনারকে দেওয়া এক চিঠিতে বলা হয়েছে, ‘এতে সংঘাত বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে, সামাজিক সম্প্রীতিও নষ্ট হবে।’

অবশ্য তা মানতে নারাজ নির্বাচন কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ। বলেন, “আমরা পর‌্যাপ্ত পুলিশ, র‌্যাব ও আনসার-ভিডিপি সদস্য নিয়োগ করব। বিজিবি দেওয়ার চিন্তা নেই আমাদের। ভোট কেন্দ্রে আনসার সদস্য বাড়িয়ে দেওয়া হবে। সুন্দরভাবেই ভোট হবে আশা করি।”

তবে বিজিবি মোতায়েনের পরিকল্পনা না থাকলেও প্রয়োজনে পরিস্থিতি বিবেচনা করে সব ব্যবস্থাই নেওয়া হবে বলে জানান তিনি।

শাহনেওয়াজ মনে করেন, তৃণমূল পর্যায়ের এ নির্বাচনে সহিংসতা অনেক কম হবে। কারণ, এই পর্যায়ে যারা নির্বাচন করে তারা সবাই পরিচিত এবং অনেক ক্ষেত্রে এসব নির্বাচনে একই পাড়া মহল্লা বা পরিবারের লোকেরা প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তাই এসব নির্বাচনে তেমন ঝামেলা হবে না।

ভোটের তারিখ দেওয়ার আগেই পুলিশ সদর দপ্তর থেকে নির্বাচন কমিশনকে জানানো হয়েছে, প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ও সহিংসতার আশঙ্কা থাকায় একদিনে সাড়ে তিনশর বেশি ইউপিতে ভোট হলে কেন্দ্র ও নির্বাচনী এলাকার সার্বিক আইন শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ কষ্টসাধ্য হবে।

এবার প্রতি ধাপে গড়ে সাত শতাধিক ইউপির ভোট হবে।

কমিশনার শাহনেওয়াজ বলেন, “শঙ্কার কিছু নেই। নির্বাচনী আচরণবিধি প্রতিপালনেও কঠোর হব আমরা। বিধিলঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে দণ্ড ও জরিমানাসহ সব ব্যবস্থা নিতে নির্বাহী ও বিচারিক হাকিম থাকবে।”

উল্লেখ্য, এবার ইউপি ভোটের জন্য ৬০০ কোটি টাকা সম্ভাব্য ব্যয় ধরা হয়েছে, যার মধ্যে থেকে ৩৫০ কোটি টাকাই আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় ব্যয়ের ধারণা দেওয়া হয়েছে।

বাকি ২৫০ কোটি টাকা ব্যয় করা হবে নির্বাচন পরিচালনায়।

আরও পড়ুন