বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

রিমান্ড শেষে ব-দ্বীপ প্রকাশনীর শামসুল কারাগারে

bodip prokashoni‘ইসলাম বিতর্ক’ নামে বই প্রকাশ করে ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত দেয়ায় তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় পুলিশ হেফাজতে একদিনের জিজ্ঞাসাবাদ শেষে ব-দ্বীপ প্রকাশনীর বিপণন শাখার প্রধান শামসুল আলমকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

বৃহস্পতিবার দুপুরে তাকে ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে হাজির করে পুলিশ কারাগারে পাঠানোর আবেদন করে। অন্যদিকে বিবাদীর আইনজীবী জামিন আবেদন করেন।

উভয় আবেদনের ওপর শুনানি করে বিচারক মো. খুরশিদ আলম জামিনের আবেদন নাকচ করে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন বলে জানান শামসুলের আইনজীবী উদয় কে বসাক। বলেন, রিমান্ড ফেরত আবেদনে জিজ্ঞাসাবাদে পুলিশ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেয়েছে বলে উল্লেখ করেছে। কিন্তু কী ধরনের তথ্য পাওয়া গিয়েছে বা কোন তথ্য যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে তা উল্লেখ করা হয়নি। তদন্তের অগ্রগতি সম্পর্কেও কোনো তথ্য ছিল না প্রতিবেদনে।

মামলাটি তথ্যপ্রযুক্ত আইনের আওতায় পড়ে না দাবি করে আসামি পক্ষের এই আইনজীবী বলেন, “কারণ কথিত বইয়ের কোনো সংস্করণ ই-বুক অথবা অনলাইন সংস্করণ হিসেবে বের হয়নি। শুধুমাত্র ওয়েবসাইটে বইটির বিজ্ঞাপণ দেওয়া হয়েছিল।

“ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করে কি কি কথা বলা হয়েছে– কোনোটিই ওই বিজ্ঞাপনে নেই।”

‘ইসলামে বিতর্ক’ বই প্রকাশের জন্য তথ্য প্রযুক্তি আইনের মামলায় বইটির সম্পাদক ও ব-দ্বীপ প্রকাশনীর স্বত্ত্বাধিকারী শামসুজ্জোহা মানিক, ছাপাখানা শব্দকলি প্রিন্টার্সের মালিক তসলিমউদ্দিন কাজল ও ব-দ্বীপ প্রকাশনীর বিপণন শাখার প্রধান শামসুল আলমকে মঙ্গলবার আদালতে হাজির করে রিমান্ড চান তদন্ত কর্মকর্তা শাহবাগ থানার পরিদর্শক জাফর উল্লাহ বিশ্বাস।

সেই আবেদনের প্রেক্ষিতে শামসুজ্জোহাকে পাঁচ দিন, তসলিমউদ্দিনকে দুদিন ও শামসুল আলমকে একদিন হেফাজতে রাখার অনুমতি দেয় আদালত।

শামসুল প্রকাশনা সংস্থাটির মালিক মানিকের ভাই।

আরও পড়ুন