মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া। একুশের প্রথম প্রহরে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী ও বিরোধীদলীয় নেতার পর কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে চান সাবেক এই প্রধানমন্ত্রী।
বিএনপির সিনিয়র নেতাদের সঙ্গে নিয়ে একুশের প্রথম প্রহরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থিত কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানাবেন তিনি। তবে কার পরে তিনি শ্রদ্ধা জানাবেন সে বিষয়টির এখনো সুরাহা হয়নি।
ইতোমধ্যেই এ বিষয়টি নিয়ে বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিকের সঙ্গে তার কার্যালয়ে ঘণ্টাব্যাপী বৈঠক করেন বিএনপির দুই নেতা।
তারা হলেন- বিএনপির যুগ্ম-মহাসচিব আমান উল্লাহ আমান এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ফজলুল হক মিলন। তবে ওই বৈঠকে বিষয়টির সুরাহা হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে অমর একুশে উদযাপন কেন্দ্রীয় সমন্বয় কমিটির প্রধান ও ঢাবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. আ আ ম স আরেফিন সিদ্দিক শুক্রবার বিকেলে বলেন, ‘বিএনপির নেতারা এসেছিলেন। কথা হয়েছে। শহীদ মিনারে বিএনপির চেয়ারপারসনের শ্রদ্ধা জানানো নিয়ে তারা যা বলতে চেয়েছেন সেটি আমরা ভেবে দেখছি।’
এদিকে, শুক্রবার দুপুরে বিএনপির কেন্দ্রীয় দপ্তরের দায়িত্বপ্রাপ্ত যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী আহমেদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া শনিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২টায় কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন।
এছাড়া ২১ ফেব্রুয়ারি রোববার সকাল ৬টায় কালো ব্যাজ সহকারে নিউমার্কেটের বলাকা সিনেমা হলের সামনে দলীয় নেতা-কর্মীদের জমায়েত এবং আজিমপুর কবরস্থানে ভাষা শহীদদের মাজার জিয়ারত শেষে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার অভিমুখে যাত্রা ও শহীদদের স্মরণে শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে।
এদিকে শহীদ মিনারে চেয়ারপারসনের যাতায়াত নির্বিঘ্ন করতে ডিএমপি ও র্যাবের ডিজি এবং নিরাপত্তা সংশ্লিষ্ট সব কর্তৃপক্ষকে চিঠি দিয়েছে বিএনপি। বিষয়টি জানিয়েছেন, দলের সহদপ্তর সম্পাদক আব্দুল লতিফ জনি।
মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে আগামী ২২ ফেব্রুয়ারি দুপুর ২টায় রাজধানীর রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে দলের পক্ষ থেকে এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হবে। দেশবরেণ্য বুদ্ধিজীবী ও ভাষা সৈনিকরা এতে বক্তব্য রাখবেন।


