ঢাকার পাশে টঙ্গী থেকে ভৈরববাজার স্টেশন পর্যন্ত ডাবল রেললাইনে বৃহস্পতিবার থেকে ট্রেন চলাচল শুরু হবে। এই ডাবল লাইন চালুর ফলে এই অংশে এখন প্রতিদিন ৪৬টির বদলে ৮৪টি ট্রেন চলতে পারবে। এছাড়া ঢাকা-চট্টগ্রাম-সিলেটসহ পূর্বাঞ্চলের এসব রুটে বিভিন্ন ট্রেনের যাত্রা সময়ও এক থেকে দেড় ঘণ্টা কমবে।
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কাল বেলা ১১টার দিকে ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এবং রেলমন্ত্রী মুজিবুল হক ভৈরববাজার স্টেশন চত্বর থেকে এই প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন।
প্রকল্পের পরিচালক সাগর কৃষ্ণ চক্রবর্তী বলেন, ‘এই ডাবল লাইনের ফলে সুবর্ণ এক্সপ্রেসের যাত্রাসময় প্রায় এক ঘণ্টা ১০ মিনিট এবং অন্যান্য যাত্রীবাহী ট্রেনের যাত্রাসময় ট্রেন ভেদে ২০ মিনিট থেকে দেড় ঘণ্টা পর্যন্ত কমবে। এ ছাড়া কন্টেইনার ট্রেনের যাত্রাসময় চার থেকে ছয় ঘণ্টা কমবে। যাত্রী ও ট্রেন পরিচালনাগত সুবিধাদিও বাড়বে। দুর্ঘটনা বা অন্য কোনো কারণে একটি লাইন বন্ধ থাকলেও ট্রেন চলাচল চালু রাখা সম্ভব হবে।’
তিনি বলেন, টঙ্গী-ভৈরব সেকশনে আগে ২২টি আন্তনগর, ১৮টি মেইল ও এক্সপ্রেস এবং ছয়টি কন্টেইনারসহ ৪৬টি ট্রেন চলত। ডাবল লাইনের ফলে প্রতিদিন এই লাইনে এখন ৮৪টি ট্রেন চলতে পারবে।
বাংলাদেশ সরকার (জিওবি) ও এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) অর্থায়নে রেলপথ মন্ত্রণালয় এ প্রকল্পের বাস্তবায়ন করেছে। এ জন্য খরচ হয়েছে দুই হাজার ২১২ দশমিক ৬১ কোটি টাকা। এর মধ্যে এডিবি এক হাজার ৮২৩ দশমিক ৯ কোটি টাকা এবং বাংলাদেশ সরকার ৩৮৯ দশমিক ৫২ কোটি টাকা অর্থায়ন করেছে।


