জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে থাকা সেই নবজাতক শিশুটির মৃত্যু হয়েছে। জন্ম নেওয়ার পরপরই তার কুমারি মা (১৬) পাঁচতলা ভবন থেকে তাকে নিচে ফেলে দিয়েছিলেন।
বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় নবজাতকের মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছেন চিকিৎসক।
ঢামেক হাসপাতালের নবজাতক ওয়ার্ডের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক মনীষা ব্যানার্জী জানান, দুপুর দেঢ়টার দিকে ওই নবজাতক শিশুটি মৃত্যুবরণ করে। এর আগে ১ ফেব্রুয়ারি ওই নবজাতক শিশুটিকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
ওই কুমারি মা এর আগে জানান, তাদের গ্রামের বাড়ি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ার নওকর গ্রামে। ঢাকায় বেইলী রোডের ২৬ নম্বর প্রোপার্টিজ ম্যানশনের পাঁচতলায় আজমল হক ও ফিরোজা হকের বাসায় ৯ বছর ধরে গৃহকর্মী হিসেবে কাজ করেন তিনি।
তিনি জানান, ৯-১০ মাস আগে কুমিল্লায় বড় বোনের বাসায় বেড়াতে যান তিনি। সেখানে তার বোনের স্বামী নীরব ঘুমের ওষুধ খাইয়ে তাকে ধর্ষণ করেন। পরে তিনি গর্ভবতী হয়ে পড়েন। ১ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বেইলী রোডের বাসায় তিনি ছেলে সন্তান প্রসব করেন। জানাজানির ভয়ে তিনি সন্তানটিকে পাঁচতলার উপর থেকে নিচে ফেলে দেন। ছেলে সন্তানটি দ্বিতীয় তলার কার্নিশে আটকে যায়।


