বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

বিয়েতে পরিবারের সম্মতি নেই: প্রেমিক-প্রেমিকার আত্মহত্যা

jjjদুই পরিবারের কারও সম্মতি নেই; কিন্তু তারা নিজেরা বিয়ে করতে বদ্ধপরিকর। তবে পরিবারের অসম্মতিতে বিয়েও করবেন না। এমন পরিস্থিতিতে দুই জনে এক সঙ্গে আত্মহত্যা করার সিদ্ধান্ত নিয়ে তা করেই ফেললেন।

মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বালিয়াঘাট গ্রাম। সেখানকার সপ্তম শ্রেণিপড়ুয়া তাসফিয়া মুন্নির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক হয়েছিল প্রতিবেশী যুবক মিনারুল ইসলামের। কিন্তু মুন্নির বয়স কম হওয়ায় কোনো পরিবারই বিয়ে দিতে রাজি হয়নি। এতে ক্ষোভে বিষপান করে আত্মহত্যা করে প্রেমিকা। মৃত্যুসংবাদ শোনার পর আত্মহত্যা করে প্রেমিকও। গতকাল বুধবার রাতে এসব ঘটনা ঘটে।

মুন্নির বড় বোন রোকসানা খাতুন জানান, প্রাপ্তবয়স্ক না হওয়ায় বিয়ে দিতে রাজি হয়নি পরিবার। এতে অভিমান করে বিষপান করে তাসফিয়া মুন্নি। পরে তাকে বামুন্দী আল শেফা ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১০টার দিকে মৃত্যু হয় তার।

মিনারুলের বড় ভাই জুয়েল রানা জানান, প্রতিবেশী তাসফিয়া মুন্নি নামের এক মেয়ের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল মিনারুলের। তাসফিয়া মুন্নি বিষপানে আত্মহত্যা করেছে শুনে বুধবার গভীর রাতে গলায় দড়ি বেঁধে আত্মহত্যা করে মিনারুল।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আকরাম হোসেন জানান, প্রেমিক যুগলের আত্মহত্যার খবর শুনে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন