ঢাকার উত্তরায় বাসার রান্নাঘরের গ্যাসের আগুনে একই পরিবারের দগ্ধ পাঁচজনের মধ্যে এক কিশোরের মুত্যু হয়েছে। তার নাম শালীল। শুক্রবার ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মৃত্যু হয় তার।
বার্ন ইউনিটের করোনারি কেয়ার ইউনিটের (সিসিইউ) কর্তব্যরত চিকিৎসক তারেকুজ্জামান জানান, শালীলের শরীরের ৮৮ শতাংশই পুড়ে গিয়েছিল। অনেক চেষ্টা করেও তাকে বাঁচাতে পারেননি চিকিৎসকরা।
রাজধানীর উত্তরার ১৩ নম্বর সেক্টরে শুক্রবার ভোর ৬টায় শালীলদের বাসার রান্নাঘরের গ্যাস পাইপ বিস্ফোরণে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে গুরুতর দগ্ধ হন তার বাবা মো. শাহনেওয়াজ (৫০), মা সুমাইয়া বেগম (৪০) ও ভাই জারান (১৪ মাস)।
ঢামেক হাসপাতালের বার্ন ইউনিটের আবাসিক চিকিৎসক পার্থ শংকর পাল জানান, নেওয়াজের শরীরের ৯৫ শতাংশ, সুমাইয়া বেগমের ৯০ শতাংশ এবং জারানের ৭৪ শতাংশ পুড়ে যায়। তাদের চারজনের অবস্থা ‘আশঙ্কাজনক’।
তিনি আরও জানান, ভয়াবহ এ অগ্নিকাণ্ডে বেঁচে যান শালীলের ১১ বছর বয়সী ভাই জারিফ (১১)। হাত-পা পুড়ে যাওয়া ছাড়া বড় কোনো ক্ষতি হয়নি তার।
শালীলদের প্রতিবেশী মনিরুজ্জামান জানান, শাহনেওয়াজ আমেরিকান দূতাবাসের মেইনটেন্যান্স ইঞ্জিনিয়ার। সকালে তার স্ত্রী সুমাইয়া বেগম রান্না করতে যান। হঠাৎ গ্যাসপাইপ বিস্ফোরিত হয়ে ঘরে আগুন লেগে যায়। আগুনে ওই পরিবারের পাঁচ গুরুতর দগ্ধ হন।
পরে প্রতিবেশীরা তাদের উদ্ধার করে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে নিয়ে আসেন।


