বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

থানায় নিয়ে মারধরের অভিযোগ পুলিশের বিরুদ্ধে

policeঅপহৃত এক কিশোরী উদ্ধার করতে রাজধানীর যাত্রাবাড়ীতে অভিযান চালানোর সময় একব্যক্তিকে থানায় ধরে নিয়ে পুলিশ মারধর করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এই অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো ওই ব্যক্তির অসহযোগিতার কারণে অপহরণকারী পালিয়ে গেছে বলে দাবি পুলিশের।

ঘটনার শিকার আবুল বাশার দুলাল (৪০) যাত্রাবাড়ীর দনিয়া গোবিন্দপুরে ৯৫ নম্বর বাড়ির অন্যতম মালিক। তিনি সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত সার্জেন্ট।

শনিবার ভোর রাতে তার বাড়িসংলগ্ন ভাইয়ের টিনশেড বাড়িতে অভিযান চালানোর সময় পুলিশ দুলালকে মারধর করে বলে অভিযোগ করেছেন তার ভায়রা শামীম আহমেদ। বলেন, “রাত ৩টার দিকে টিনের চালার উপর লোকজনের হাটাহাটির শব্দ শুনে দুলাল ‘ডাকাত ডাকাত’ বলে চিৎকার করেন। পরে সাদা পোশাকে পুলিশ টিনশেড ঘরে ঢুকে এক মেয়েকে ধরে নিয়ে যায়। তার সঙ্গে দুলালকেও থানায় নিয়ে গিয়ে বেধড়ক মারধর করে।”

কিছুদিন আগে স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে দুই ছেলে-মেয়ে টিনশেডের একটি ঘর ভাড়া নেয় বলে জানান তিনি।

কদমতলী থানার ওসি ওয়াজেদ আলী জানান, এক কিশোরীকে অপহরণের অভিযোগে গত নভেম্বরে থানায় একটি মামলা হয়। মেয়েটিকে উদ্ধারের পাশাপাশি মামলার প্রধান আসামি স্থানীয় বখাটে রানাকে (২২) গ্রেপ্তারের জন্য ঘটনাস্থলে অভিযান চালায় পুলিশ।

ঘটনাস্থলে বা তার থানায় মারধরের কোনো ঘটনা ঘটেনি দাবি করে মোবাইল ফোনে তিনি বলেন, “অভিযান চালানোর সময় সবাইকেই পুলিশের পরিচয় দেওয়া হয় এবং সেখানে পোশাক পরা পুলিশও ছিল। তারপরেও পুলিশের কাজে সহায়তা না করে দুলাল টানা হেঁচড়া করে পুলিশের কাজে বাধা দেয়। আর এই সুযোগে আসামি পালিয়ে যায়। তাকে থানায় আনা হলেও পরে ছেড়ে দেওয়া হয় বলে জানান তিনি।

এসময় দুলালকে ছাড়িয়ে নিতে যাওয়া তার আত্মীয় নাসরিন নাহার ডলির সঙ্গে কথা বলতে ফোন তার হাতে দেন ওসি ওয়াজেদ।

নাসরিন বলেন, “দুলাল একটু বদ মেজারের। পুলিশের অভিযানের সময় তার সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয়েছিল। এতে তিনি আহত হয়ে থাকতে পারেন। তবে পুলিশেরও পোশাকও ছিঁড়ে গেছে।”

মুদি ব্যবসায়ী দুলাল থানা থেকে ছাড়া পাওয়ার পর সকালে ঢাকা মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন বলে জানান তার ভায়রা শামীম।

আরও পড়ুন