সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের বলেছেন, যারা আরেকটি এক-এগারোর স্বপ্ন দেখছেন, সেই রঙিন খোয়াব সফল হবে না। তিনি বলেন, জাতীয় নির্বাচন বর্জন করে, আন্দোলনে ব্যর্থ হয়ে, যাঁরা আরেকটি এক-এগারোর স্বপ্ন দেখছেন, তাদের এই স্বপ্ন দুঃস্বপ্নে পরিণত হবে। বাংলার মাটিতে তা কখনো বাস্তবায়ন হবে না।
রাজধানীর বঙ্গবন্ধু অ্যাভিনিউয়ে ৭ মার্চ আওয়ামী লীগের জনসভা সফল করতে ছাত্রলীগের মতবিনিময় সভায় ওবায়দুল কাদের এসব কথা বলেন।
ছাত্রলীগের নতুন পূর্ণাঙ্গ কমিটিকে স্বাগত জানিয়ে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘নতুন কমিটিকে আমি অভিবাদন জানাচ্ছি। তবে তোমাদের দ্রুত অরিয়েন্টেশন (পরিচিতি সভা) দরকার। এটা তোমাদের খুব দরকার।’
ছাত্রলীগের সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগের সভাপতিত্বে মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক আবদুর রাজ্জাক, ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এনামুল হক শামীম, ছাত্রলীগের ঢাবি সভাপতি আবিদ আল হাসান, সাধারণ সম্পাদক মোতাহার হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি সৈয়দ মিজানুর রহমান, দক্ষিণের সভাপতি বায়েজিদ আহমেদ খান প্রমুখ।
সততায় এগিয়ে আছেন বলেই শেখ হাসিনা এগিয়ে যাচ্ছেন বলে মন্তব্য করে ওবায়দুল কাদের বলেন, আজকে পত্রিকায় দেখলাম—বিএনপি কাউন্সিলের জন্য অনুমতি পেয়েছে। কত বড় দেউলিয়া এ দল! কিসের অনুমতি। রাজনীতিতে সততা লাগে, সাহস লাগে, কমিটমেন্ট লাগে। বিএনপির সাহসও নেই, সততাও নেই। সাহস ও সততার সংকট আছে বলে খালেদা জিয়া পিছিয়ে আছেন।
তিনি বলেন, কাউন্সিলের ভেন্যু আসলে বিএনপি নিজেরাই ঠিক করতে পারেনি। সরকার যদি বাধা দিত, ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউটে কাউন্সিলের অনুমতি পেত কেমন করে? বাধা আসলে সরকার না, বাধা হচ্ছে বিএনপি। তাদের মধ্যে এখন নানা মত, নানা পথ। তাই তারা মনস্থির করতে পারেনি—কোথায় কাউন্সিল করবে।
ওবায়দুল কাদের বলেন, সাত শর মধ্যে শুনলাম ১৮৪ ইউনিয়ন পরিষদে বাধা দেওয়া হয়েছে। আসলে কেউ তাদের বাধা দেয়নি। আসল কথা তারা নিজেরাই প্রার্থী খুঁজে পায়নি। প্রার্থী না পেলে আমরা কোথা থেকে প্রার্থী খুঁজে বের করে দেব। প্রার্থী সংকটে ভুগছে তারা।
সেতুমন্ত্রী বলেন, কেন্দ্রীয়ভাবে বাধা দেওয়ার নির্দেশ শেখ হাসিনার নেই। স্থানীয়ভাবে কোথাও বাধা দেওয়ার ঘটনা ঘটলে সেটা স্পষ্ট উপস্থাপন করতে পারেন।


