এক নারীকে যৌন হয়রানির দায়ে মামলায় আসামির কারাদণ্ড হওয়ার ঘটনার জেরে সিলেটের কানাইঘাট উপজেলায় দুই পক্ষের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে। এতে এক ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য নিহত হয়েছেন, আহত হন অন্তত ২০ জন। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর কুওরঘড়ি লামার গ্রামে এ সংঘর্ষ হয়।
নিহত দুদু মিয়া (৩৫) কানাইঘাটের লক্ষ্মীপাশা পশ্চিম ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য এবং কুওরঘড়ি লামার গ্রামের মৃত তফজ্জুল আলীর ছেলে।
আহতদের মধ্যে তিন জনকে কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স এবং ১৭ জনকে সিলেট ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
স্থানীয়দের বরাত দিয়ে কানাইঘাট থানার ওসি হুমায়ুন কবির জানান, কুওরঘড়ি লামার গ্রামের সাবাব উদ্দিনকে ইভটিজিংয়ের অভিযোগে বৃহস্পতিবার তিন মাসের কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত।
সাবাব উদ্দিনের চাচা রাকিব আলী বলেন, দুদু মিয়ার প্ররোচনায় সাবাব উদ্দিনকে শাস্তি পেতে হয়েছে অভিযোগ উঠলে শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর গ্রামে এ নিয়ে সালিশ বসে।
সালিশে দুদু মিয়া ও রাকিব আলীর মধ্যে বাগবিতণ্ডা হয়। এর এক পর্যায়ে উভয়পক্ষ সংঘর্ষে লিপ্ত হয় বলে জানান রাকিব আলী। তিনি বলেন, “সংঘর্ষে গুরুতর আহত দুদু মিয়াকে কানাইঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।”


