সংশ্লিষ্টরা অপরাধ না ঠেকিয়ে ভোটকেন্দ্রে আঙুল চুষলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার হুঁশিয়ারি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। সংস্থাটির কমিশনার মো. শাহনেওয়াজ বলেছেন, ‘আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনে অপরাধ হবে, আর সেখানে তারা আঙুল চুষবে- এ ধরনের কোনো বিষয় প্রশ্রয় দেব না। প্রিজাইডিং অফিসারের সামনে সিল মেরে যাবে আর তখন হা করে দাঁড়িয়ে থাকবে- সেটাও আমরা সহ্য করব না। এক কথায় নির্বাচন সুষ্ঠু করার জন্য যা যা করা দরকার সবটাই করতে হবে।’
মঙ্গলবার বিকেলে নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ হুঁশিয়ারি দেন।
আগামী ৩১ মার্চ দ্বিতীয় ধাপের ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ভোট অনুষ্ঠিত হবে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে পরিস্থিতি দেখে কঠোর ভূমিকা রাখার তাগিদ দিয়েছেন শাহনেওয়াজ।
প্রথমধাপের ভোটের আগে-পরে সহিংসতায় অন্তত ২২ জনের প্রাণহানির পাশাপাশি অনিয়মের কয়েকশ’ অভিযোগ পড়েছে নির্বাচন কমিশনে।
এ অবস্থায় মো. শাহনেওয়াজ বলেন, ‘প্রথম ধাপে কিছু অনিয়ম পেয়েছি, ব্যবস্থাও নিয়েছি। এখন সংশ্লিষ্টদের সতর্ক করে বলতে চাই, দায়সারা কাজ করে দায়িত্ব এড়াতে চাইলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে। অনিয়ম করলে চরম ব্যবস্থা নিতে পিছনা না হওয়ার জন্যে নির্দেশ দিয়েছি।’
পরিস্থিতি দেখে আইনগতভাবে সর্বোচ্চ ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দিয়ে এ নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘অনিয়ম বরদাশত করা হবে না। ব্যর্থতার জন্যও কাউকে ছাড় দেয়া হবে না। অপরাধ করলে সে যেই হোক তাকে গ্রেপ্তার ও তার বিরুদ্ধে মামলা করা হবে। ইতোমধ্যে ব্যবস্থা নিয়েছি- সবার জন্য এটা একটা সতর্কবার্তা।’
তিনি বলেন, ‘নির্বাহী হাকিম ও ভোটকেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা প্রিজাইডিং অফিসারের সব ধরনের ক্ষমতা আছে। তারা যে কোনো বিষয়ে ইসিকে সরাসরি অবহিত করতে পারবেন। নির্বাচনে কাউকে সুযোগ দেয়ার চেষ্টা করলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।’
গত ২২ মার্চ প্রথম ধাপে ৭১২ ইউপিতে ভোট হয়। ৩১ মার্চ দ্বিতীয় ধাপের ভোট আছে প্রায় সাড়ে ৬০০ ইউপিতে।


