মিয়ানমারের গণতন্ত্রীপন্থী নেত্রী অং সান সুচির কাছে বিশেষ দূত পাঠাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। গণতন্ত্রে প্রত্যাবর্তনের পর দেশটির নতুন সরকারের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে কাজ করার আগ্রহ জানাতেই এই বিশেষ দূত পাঠানো হচ্ছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলমকে প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত ঘোষণা দিয়ে মিয়ানমারে পাঠানো হবে। তিনি বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার পক্ষ থেকে মিয়ানমারের নতুন প্রেসিডেন্ট থিন কিয়াওয়ের কাছে শুভেচ্ছা পৌঁছে দেবেন। পাশাপাশি ক্ষমতাসীন এনএলডি নেত্রী অং সান সুচির সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করবেন। শাহরিয়ার আলমের সফরের দিনক্ষণ ও বিস্তারিত কর্মসূচি নির্ধারণে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও ইয়াঙ্গুনে বাংলাদেশ দূতাবাস কাজ করছে। মিয়ানমারের নেতাদের জন্য শুভেচ্ছা হিসেবে চাল নিয়ে যেতে পারেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বিশেষ দূত।
মিয়ানমারে গণতন্ত্র প্রত্যাবর্তনকে বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক উন্নয়নের জন্য ইতিবাচক সুযোগ হিসেবে দেখছে ঢাকা। সেনা সরকারের বিদায়ী প্রেসিডেন্ট ক্ষমতা ছাড়ার আগে গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ সীমান্ত সংলগ্ন রোহিঙ্গা অধ্যুষিত রাখাইন প্রদেশ থেকে জরুরি অবস্থা প্রত্যাহার করেন। এটিই তার সরকারের সর্বশেষ কার্যক্রম। মিয়ানমারের নতুন সরকারের সঙ্গে বাংলাদেশ রোহিঙ্গা ইস্যু ছাড়াও সড়ক ও রেল যোগাযোগ নেটওয়ার্ক, বিদ্যুৎ কানেকটিভিটি, বাণিজ্যসহ বিভিন্ন ইস্যুতে সহযোগিতা শুরু করতে চায় বাংলাদেশ।


