রাত পোহালেই ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন পরিষদে ভোটগ্রহণ। উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে ইতোমধ্যে ভোটগ্রহণের সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে। ১০৩টি ভোটকেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে নির্বাচনের ব্যালট পেপারসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম। নির্বাচনকে সামনে রেখে এলাকায় প্রায় তিন শতাধিক বহিরাগত যুবকের আগমন ঘটেছে বলে অভিযোগ করেছেন প্রার্থীরা।
উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা মোহাম্মদ আজিজুল ইসলাম জানান, নির্বাচন অবাধ সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে এবং ইতোমধ্যে নির্বাচনী মালামাল বিভিন্ন কেন্দ্রে পৌঁছে গেছে।
এদিকে নির্বাচনকে সামনে রেখে নবীনগরের বীরগাঁও ইউনিয়নে বহিরাহতদের আগমন ঘটেছে বলে দাবি করেছেন আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী জহির রায়হান।
তিনি জানান, নির্বাচনের পরিবেশ ঘোলাটে করার জন্য একটি কুচক্রি মহল ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থেকে কিছু অস্ত্রধারী সন্ত্রাসী এলাকায় নিয়ে এসেছে। তারা নির্বাচনের দিন কোনো না কোনো এলাকায় ঝামেলার সৃষ্টি করতে চাইবে। তাই আমি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে জোর দাবি জানাচ্ছি তারা যেন বহিরাগতদের দিকে দৃষ্টি দেন।
বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. ফালু মিয়া জানান, নির্বাচনকে সামনে রেখে বীরগাঁও এলাকায় অনেক বহিরাগত যুবক অবস্থান করছে। তাদের অবস্থানে এলাকায় উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছে। তাদের দ্বারা যে কোনো সময় অঘটন ঘটতে পারে।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার পুলিশ সুপার মো. মিজানুর রহমান জানান, রাত পোহালেই নির্বাচনের ভোটগ্রহণ। এর আগে কোন বহিরাগত এলাকায় অবস্থান করতে পারবে না। এছাড়াও নির্বাচনকে সুষ্ঠু করতে প্রায় ৭ শতাধিক পুলিশ, তিন প্লাটুন বিজিবি ও ৫০ জন র্যাব মোতায়েন থাকবে। এছাড়াও মোবাইল টিম ও স্ট্রাইকিং ফোর্স মোতায়েন থাকবে।
উল্লেখ্য, নবীনগর উপজেলার ১১টি ইউনিয়নে মোট ভোটকেন্দ্র ১০৩টি। এর মধ্যে ৬৬টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ ঘোষণা করা হয়েছে। মোট চেয়ারম্যান প্রার্থী ৫২ জন। মোট ভোটার সংখ্যা ১ লাখ ৪২ হাজার ১৩০ জন।


