জনতা ব্যাংকের ২৫০ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ঢাকা ট্রেডিং হাউসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. টিপু সুলতানকে খুলনায় গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বুধবার টিপু সুলতানের খুলনার প্রতিষ্ঠান থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
খুলনা মুখ্য মহানগর হাকিমের আদালতের মাধ্যমে আজ বিকেলেই খুলনা জেলা কারাগারে পাঠানো হয়েছে টিপু সুলতানকে।
গত ১৮ ফেব্রুয়ারি দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক মো. সামছুল আলম বাদী হয়ে টিপু সুলতানকে প্রধান আসামি করে জনতা ব্যাংকের চার কর্মকর্তার নামে মামলা দায়ের করেন।
এই মামলায় অন্য আসামিরা হলেন জনতা ব্যাংকের জ্যেষ্ঠ নির্বাহী কর্মকর্তা মসিউর রহমান, জনতা ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) এ এস এম জহুরুল ইসলাম, উপমহাব্যবস্থাপক (ডিজিএম) শামীম আহমেদ খান এবং সাবেক উপমহাব্যবস্থাপক মনজুরুল ইসলাম।
মতিঝিল থানা এই মামলাটি গ্রহণ করে দুদকের কাছে তদন্ত করার দায়িত্ব দেয়।
মামলায় বলা হয়, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে নামসর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের অনুকূলে মোট ২৭২ কোটি ৮৮ হাজার টাকার ভুয়া ঋণপত্রের (এলসি) বিপরীতে এই টাকার ঋণ মঞ্জুর করেন। আসামিরা মার্জিন বাবদ ১৬ কোটি ৭২ টাকা টাকা জমা দিয়ে পুরো টাকাটাই আত্মসাৎ করেন।
বুধবার ঢাকা থেকে যাওয়া দুদকের তিন সদস্যের একটি দল খুলনায় ঢাকা ট্রেডিং হাউস থেকে টিপুকে গ্রেপ্তার করে দুদকের খুলনা কার্যালয়ে নিয়ে আসে। পরে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. সামছুল আলম এই মামলায় মো. টিপু সুলতানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে পাঠিয়ে দেন। পরে আদালত টিপু সুলতানকে জেলা কারাগারে পাঠান।
ঢাকা ট্রেডিং হাউস বর্তমানে খুলনা পাট রপ্তানিকারক হিসেবে ব্যবসা করছে।
এদিকে রূপালী ব্যাংকের খুলনার দৌলতপুর শাখা থেকেও ঋণ নিয়েছে ওই প্রতিষ্ঠান। ওই ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) গোলাম মুর্শেদ জানিয়েছেন, এরই মধ্যে ওই প্রতিষ্ঠান ১১০ কোটি টাকার ঋণ নিয়েছে। গুদামের পাট দেখিয়ে যে টাকার ঋণ নেওয়া হয়েছে, বাস্তবে টিপু সুলতানের গুদামে সেই টাকার পাট নেই।


