বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) কালো রঙের ওয়াকি টকির অবাধ ব্যবহার বন্ধ করতে কেবলমাত্র আইন-শৃংঙ্খলা সংস্থাগুলো এই কালো রঙের ওয়াকি টকি ব্যাবহার করবে বলে সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
সরকারি ও বেসরকারি উভয় ধরণের প্রতিষ্ঠানে বিভিন্ন প্রয়োজনে ওয়াকি টকির ব্যবহার বৃদ্ধি পাওয়ায় বিটিআরসি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
বিটিআরসি’র সিস্টেম অ্যান্ড সার্ভিস বিভাগের এক সিনিয়র কর্মকর্তা বলেন, সহজে যোগাযোগের সুযোগ এবং টেলিকম রেগুলেটরের কাছ থেকে অনুমোদন নিয়ে যে কেউ ওয়াকি টকি ব্যাবহারের সুযোগ থাকায় এর ব্যবহার ক্রমাগত বাড়ছে। “আমরা কালো রঙের ওয়াকি টকি আইন শৃংঙ্খলা সংস্থাগুলোর জন্য সংরক্ষিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি যাতে সাধারণ মানুষ সহজেই তাদের চিনতে পারে। ”
কর্মকর্তা বলেন, সরকারি অন্য সংস্থাগুলো এবং বেসরকারি প্রতিষ্ঠান রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি ভিত্তিক এই ডিভাইস ব্যবহার করতে পারবে তবে টেলিকম রেগুলেটরের অনুমোদন নিয়ে অন্য রঙের ওয়াকি টকি বেছে নিতে হবে।
বর্তমানে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে কালো রঙের ওয়াকি টকির ব্যাবহার সম্পর্কে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কালো রঙের ওয়াকি টকির জন্য টেলিকম রেগুলেটর নো অবজেকশন সার্টিফিকেট (এনওসি ) দেবে না। এখন যে সব কালো রঙের ওয়াকি টকি আছে এগুলোর মেয়াদ শেষ হওয়ার পরে কালো রঙের ওয়াকি টকির ব্যাবহার কমে আসবে।
বিটিআরসি নির্দেশনায় বলা হয়েছে, যে কোন ব্যক্তি অথবা কোম্পানী রেডিও ফ্রিকোয়েন্সি সরঞ্জাম আমদানির জন্য প্রথমে টেলিকম রেগুলেটরের কাছে আবেদন করতে হবে এবং প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করে এনওসি নিতে হবে।
বিটিআরসি কর্মকর্তা বলেন, বিভিন্ন বাস কোম্পানী, বেসরকারি নিরাপত্তা সংস্থা, ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানী, সিটি কর্পোরেশন, ওয়াশা এবং অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ওয়ারলেস যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যবহার করছে।
বাস কোম্পানীগুলো রাজধানী জুড়ে যোগাযোগ সুবিধার জন্য শক্তিশালী ওয়াকি টকি ব্যবহার করছে।
পাশাপাশি ওয়াকি টকি ডিভাইস দেখিয়ে দুষ্কৃতিকারীরা আইন-শৃংঙ্খলা সংস্থার নামে অপরাধ কার্যক্রম চালাচ্ছে বলে বিটিআরসি কর্মকর্তা অভিযোগ করেন।


