মেধাবী ছাত্রী সোহাগী জাহান তনু হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা হচ্ছে। ঘটনার কয়েকদিন পেড়িয়ে গেলেও আসামিদের আইনের আওতায় আনতে পারেনি পুলিশ। ময়না তদন্ত প্রতিবেদন ভিন্ন খাতে প্রবাহের চেষ্টা করা হচ্ছে। এমন আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ দূত হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদ।
শনিবার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে জাতীয় পার্টির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনের প্রধান অতিথি এরশাদ এ শঙ্কা প্রকাশ করেন।
এরশাদ বলেন, জাতীয় পার্টির সময় কোন ব্যাংক লুট হয় নাই। এখন কোন ব্যাংক বাকি নেই। লুটেরাদের কোনো বিচার হচ্ছে না। বাংলাদেশ ব্যাংকে হ্যাকিং হয় নাই। ৬ জন মানুষের আঙ্গুলের ছাপ ছাড়া টাকা পাচার হতে পারে না, এ জন্য দায়ী ব্যাংক কর্মকর্তা।
তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশনের আচরণে দেশের মানুষ আতঙ্কিত, জনগণ ভোট দেয়ার আগ্রহ হারিয়ে ফেলেছে। দেশের মানুষ তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করতে পারছে না। দলীয় প্রতীকে ইউপি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওযায় কারণে যে সকল প্রার্থীর পেশি শক্তি আছে তারা নির্বাচনে পাস করছে।
নেতাকমীদের উদ্দেশে এরশাদ বলেন, আমরা হত্যা, হরতালের রাজনীতি বিশ্বাস করি না। জ্বালাও পোড়াও করে দেশের মানুষের ভালবাসা পাওয়া যায় না। ক্ষমতায় আসতে হলে উন্নয়নের রাজনীতি করতে হবে। আগামী নির্বাচনে জাতীয় পার্টি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হয়ে ক্ষমতায় আসবে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন জাতীয় পার্টির কো-চেয়ারম্যান ও সাবেক মন্ত্রী জিএম কাদের, মহাসচিব এবিএম রুহুল আমিন হাওলাদার।
সম্মেলনে এসএম আব্দুল মান্নানকে সভাপতি এবং হাসান সাঈদকে সাধারণ সম্পাদক ঘোষণা করা হয়।


