বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

এক পরিবারের ৭ নারীকে ধর্ষণ করলো ভণ্ডপীর

dorson_1_31249_pbচাচাতো বোনসহ একই পরিবারের সাত নারীকে ধর্ষণ করেছে এক ভণ্ড পীর। তার নাম মেহানদি কাসেম। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতে। এ ঘটনার দায়ে এই ভণ্ড পীরকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছে মুম্বাইয়ের একটি বিশেষ আদালত। বিচারক রুশালি জসি এ আদেশ দেন। খবর এডিটিভির।

নিজেকে আল্লাহর প্রতিনিধি হিসেবে দাবিদার ৪৩ বছর বয়সী মেহানদি কাসেম চিকিৎসার নামে ৫ বছর ধরে এ নারীদের ধর্ষণ করে আসছিলেন। অবৈধ শারীরিক সম্পর্কে গর্ভবতী হয়ে পড়া দুই নারীকে জোর করে গর্ভপাত করাতেও বাধ্য করেন এই ভণ্ড পীর।

মামলার বিবরণ অনুয়ায়ী, ভণ্ড মেহানদি কাসেম স্থানীয় একটি পরিবারকে চিনতো যে পরিবারের চার বোন তাদের ছেলেদের মানসিক বৈকল্য নিয়ে সমস্যার মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলেন। তবে তাদের মেয়ে সন্তানদের মধ্যে মানসিক বৈকল্যের কোনো লক্ষণ ছিল না।

মেহানদি কাসেম মায়েদের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন যে, চিকিৎসা করে তাদের অসুস্থ ছেলেদের ভালো করে তোলা সম্ভব। অসুস্থ ছেলেদের সঙ্গে চিকিৎসার জন্য মেয়েদেরও তার কাছে পাঠাতে ওই মায়েদের অনুরোধ করেন কাসেম।

চিকিৎসার জন্য মেয়েদের তার কাছে পাঠানোর প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা দিয়ে ভণ্ড কাসেম বলেছেন, ভবিষ্যতে এই মেয়েরা যেন মানসিক বিকারগ্রস্থ সন্তান জন্ম না দেয় সে জন্য তাদের চিকিৎসা দরকার।

দীর্ঘ ৫ বছর ধরে চিকিৎসার নামে চাচাতো বোনসহ সাত নারীকে ধর্ষণ করে আসছিলেন মেহানদি কাসেম। এদের কেউ কেউ ওই সময় নাবালিকাও ছিল। ধর্ষণের আগে মেহানদি কাসেম এই নারীদের বিশেষ পানীয় খেতে দিতেন। ধর্ষণে এদের দুইজন গর্ভবতী হয়ে পড়লে তাদের গর্ভপাতে বাধ্য করেন মেহানদি কাসেম।

মামলায় নির্যাতিত সাত নারী, তাদের মায়েরাসহ ৩৭ সাক্ষি আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। ধর্ষণের অভিযোগে ২০১০ সালে পুলিশ ভণ্ড মেহানদি কাসেমকে গ্রেপ্তার করে মুম্বাই পুলিশ।

আরও পড়ুন