রাজধানীর পল্লবীতে রান্নাঘরে বিস্ফোরণে গৃহবধূ ও তার স্বামী-সন্তান দগ্ধ হওয়ার ঘটনায় স্বামীকে আদালতে পাঠিয়েছে পুলিশ। তার প্রাথমিক স্বীকারোক্তিতে জানা গেছে, এটি গ্যাসপাইপ বিস্ফোরণের ঘটনা নয়, কলহের জেরে স্ত্রী আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন।
রোববার দুপুরে তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার এসআই আবু সাইদ। জানান, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে স্বামী রনি জানিয়েছেন, ঝগড়ার এক পর্যায়ে স্ত্রী শাহানা নিজেই শরীরে কেরোসিন ঢেলে আগুন ধরিয়ে দেন।
এর আগে, এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে শুক্রবার দিবাগত রাত সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতাল থেকে রনিকে আটক করে পুলিশ। তথ্যটি নিশ্চিত করেন পল্লবী থানার ওসি দাদন ফকির।
তিনি বলেন, স্বামীর দেয়া ঘটনার বর্ণনা আমাদের কাছে সন্দেহজনক মনে হওয়ায় তাকে আটক করা হয়েছে। তাছাড়া শাহানার পরিবারের অভিযোগ রয়েছে বলেও জানান তিনি।
ওই সময় রনির সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, তারা পল্লবীর ১২ নম্বর সেকশনের ২৯ নম্বর রোডের ব্লক ডি তে একটি ৬ তলা বাসায় (নতুন ওঠায় বাসা নম্বর জানাতে পারেননি) ভাড়া থাকেন। দুপুরে শাহানা রান্না ঘরে চুলা জালাতে গেলে বিকট শব্দে আগুন ধরে যায়। পরে তাকে বাঁচাতে গিয়ে মেয়েসহ তিনি নিজেও দগ্ধ হন।
পরে বিকেল সাড়ে ৫টায় দগ্ধ অবস্থায় তাদের ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নেয়া হয়।
ঢামেক বার্ন ইউনিটের আবাসিক সার্জন পার্থ শঙ্কর পাল জানান, শাহানা আক্তারের শরীরের ৫০ ভাগ দগ্ধ হয়েছে, রনির হয়েছে ৭ ভাগ। আর তাদের মেয়ে রুজির দুই হাত পুড়ে গেছে।


