বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

যুক্তরাষ্ট্র আমাকে হত্যার ষড়যন্ত্রে শফিক রেহমানের সংশ্লিষ্টতা পেয়েছে: জয়

joy-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ছেলে ও তার তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিস আমাকে অপহরণ ও হত্যার ষড়যন্ত্রে শফিক রেহমানের সরাসরি সংশ্লিষ্টতা উদ্ঘাটন করেছে। তারা এ বিষয়ে প্রমাণাদি আমাদের সরকারের কাছে দিয়েছে। তাকে এই প্রমাণের ভিত্তিতেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আমি এর চেয়ে বেশি কিছু প্রকাশ করতে পারছি না, কিন্তু এই প্রমাণ দ্ব্যর্থহীন এবং অখণ্ডনীয়।

রোববার রাত পৌনে আটটার সময় তিনি তার ফেসবুকে এক পোস্টের মাধ্যমে এসব কথা বলেন।

জয় তার ফেসবুক পেজে বলেন, আমি আশাই করেছিলাম বিএনপি এটা নিয়ে মিথ্যা বলার চেষ্টা করবে। যদিও, আমি আশ্চর্য্য হয়েছি ইমরান সরকারের বিষয়ে। সম্ভবত শেষ পর্যন্ত তার আসল চেহারাটা উন্মোচিত হলো। এটা দেখে মনে হচ্ছে সে আমাদের বেশিরভাগ সুশীলের মতই, আরেকটা সুবিধাবাদী এবং মিথ্যাবাদী। হয়তো বিএনপি তাকে পয়সা দিয়েছে। কে জানে। যেভাবেই হোক, আমি তার প্রতি সব শ্রদ্ধা হারিয়েছি। তাকে তার বক্তব্য প্রত্যাহার করে আমাদের সরকারের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।

তিনি আরও বলেন, আমি আমার সকল বন্ধু এবং ভক্তদের কাছে আহ্বান জানাচ্ছি, যারা তাকে অনুসরণ করেন তারা তাকে ফেসবুক থেকে আনফলো/আনফ্রেন্ড করুন। সে একজন অপরাধীর হয়ে কথা বলছে যে আমাকে হত্যার চেষ্টা করেছিলো।

এদিকে, গতকাল শনিবার (১৬ এপ্রিল ) রাতে সজীব ওয়াজেদ জয় তার ফেসবুক ভেরিফাইড পাতায় সাংবাদিক শফিক রেহমানকে নিয়ে বলেছেন, সাংবাদিক শফিক রেহমান তার সাংবাদিকতা পেশা পরিবর্তন করে অপরাধী হয়ে গিয়েছেন।

সজীব ওয়াজেদ জয় বলেন, কত হরহামেশা আপনি এমন কোন লোককে পাবেন যে আপনাকে হত্যার চেস্টা করছে? আমার ক্ষেত্রে, আপাতদৃষ্টিতে আমার জানার বাইরেও এটা প্রায়শই হচ্ছে। আমি অপরাধী বা কোন খারাপ মানুষও নই যে এমনটা হবে। এটা শুধু এজন্য ঘটছে যে আমার মা বাংলাদেশের রাজনীতিতে আছেন এবং আমি সময়ে সময়ে তাঁকে সাহায্য করি। এটা এজন্যও যে আমাদের বিরোধীদল যারা বিশেষত সহিংস অপরাধমূলক কাজে নিমজ্জিত এবং দেশের শীর্ষ মৌলবাদি দল যারা সরাসরি আইএসআইএস এর সাথে যুক্ত তাদের সাথে জোটভুক্ত।

জয় বলেন, কিন্তু অন্য প্রসঙ্গে আসি। যুক্তরাষ্ট্রে আমাকে অপহরণ ও হত্যার ষড়যন্ত্রে জড়িত থাকার অভিযোগে সিনিয়র সাংবাদিক ও বিএনপি নেতা শফিক রেহমানকে আজ আমাদের সরকার গ্রেফতার করেছে। একজন যুক্তরাষ্ট্র বিএনপি নেতার ছেলে, একজন সাবেক এফবি আই এজেন্ট এবং এই দু’জনের অন্য একজন আমেরিকান বন্ধু এরা সবাই এই ষড়য্ন্ত্রের কারণে সাজা ভোগ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব জাস্টিসের প্রেস রিলিজ থেকে আপনি এই মামলার বিষয়ে সরাসরি পড়তে পারবেন। “খ্যাতিমান” অংশটির বিষয়ে আমি নিশ্চিত নই কিন্তু সেখানে উল্লেখ করা ‘বাংলাদেশের নাগরিক হচ্ছি’ আমি।

তিনি বলেন, সাংবাদিক শফিক রেহমানের বিরুদ্ধে প্রমানাদি সরাসরি এই মামলা থেকে এসেছে। লক্ষয করুন, আমি সাংবাদিক শব্দটি উদ্ধৃত করেছি কারণ, যখন আপনি অপহরণ ও হত্যার চেষ্টায় যুক্ত হবেন তখন আমার বিশ্বাস আপনি আপনার পেশার ধরণ পরিবর্তন করে সাংবাদিক থেকে অপরাধী হয়ে গিয়েছেন। বিএনপি এসব কাজের জন্য একটি মধ্যবর্তী পেশার কার্যধারা পরিচালনা করে।

আরও পড়ুন