শীতাতপনিয়ন্ত্রিত মিলনায়তনের মঞ্চে একটা ঢোলের তালে কি একজন কৃষকের জীবন ও তার প্রতিদিনের সংগ্রামের ছবি তুলে ধরা যায়? কিংবা একজন দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী, একজন করপোরেট পেশাজীবী নারীর যৌন নিপীড়নের ইতিবৃত্ত তুলে আনা যায় সেখানে? তরুণ সাত কোরিওগ্রাফার ডান্সথিয়েটারে তুলে এনেছিলেন এ রকম বেশ কিছু গল্প।
শনিবার সন্ধ্যায় শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় নাট্যশালার মূল মিলনায়তনে ছিল তরুণ কোরিওগ্রাফারদের ডান্সথিয়েটার পরিবেশনা। নিজেদের ভাবনা ও নাচের অভিজ্ঞতায় এ নিয়ে তিন মাসের কর্মশালা করেছিলেন তাঁরা। তারপরেই এই ডান্সথিয়েটার, যেটা পরিচালনা করেন জার্মান কোরিওগ্রাফার টমাস বুন্গের। ডান্সথিয়েটারটি দেখতে এসেছিলেন গ্যেটে ইনস্টিটিউটের পরিচালক ফিলিপ কুপার্স। হলভর্তি দর্শকদের মতো তরুণ নৃত্যশিল্পীদের এই ডান্সথিয়েটার মুগ্ধ করেছে তাঁকেও।
বাংলাদেশের সম্ভাবনাময় তরুণ কোরিওগ্রাফারদের সুদক্ষ করে গড়ে তোলার লক্ষ্যে ‘ইয়াং কোরিওগ্রাফারস প্ল্যাটফর্ম ২০১৬’ প্রকল্পের আওতায় এই প্রযোজনাটি করে গ্যেটে
ইনস্টিটিউট। শিল্পকলা একাডেমির সহায়তায় গতকাল মঞ্চস্থ হলো সেটি। কর্মশালায় অংশ নেওয়া সাত তরুণ কোরিওগ্রাফারকে নিয়েই ‘ইয়াং কোরিওগ্রাফার প্ল্যাটফর্ম ২০১৬’।
নৃত্যশিল্পী সুদেষ্ণা স্বয়ম্প্রভা এই ডান্সথিয়েটার সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা দারুণ রোমাঞ্চিত। নতুন নাচ তৈরি শেখার পাশাপাশি এ কাজ আমাদের আত্মবিশ্বাস বাড়িয়ে দিয়েছে।’
ডান্সথিয়েটারে অংশ নেন মো. ফরহাদ আহমেদ, লামিয়া সাইয়ারা, পারভীন সুলতানা, শাম্মি আক্তার, স্নাতা শাহরিন, সুদেষ্ণা স্বয়ম্প্রভা ও তাহনুন আহমেদী। তাঁরা সবাই শাস্ত্রীয় নৃত্য নিয়ে কাজ করছেন। এঁদের মধ্যে দুজন নাচের পাশাপাশি নাটকের দলেও কাজ করেন।



Leave a Reply