‘গত এক দেড় মাস খুব যাতনায় ভুগেছি। দুজন মন্ত্রী দণ্ডিত হয়েছেন। এ দণ্ড আমাদের জন্য আশীর্বাদ। উনারা দণ্ডিত, আমরা গর্বিত। আই ওউন ইট।’
মঙ্গলবার রাজধানীর ধানমন্ডিস্থ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান কার্যালয়ে ‘বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ট্রাইব্যুনালের বিচার’ বিষয়ক এক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থার প্রধান সমন্বয়ক আব্দুল হান্নান খান।
তিনি বলেন, ‘এর আগে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ গত ৮ মার্চ জামায়াত নেতা মীর কাসেমের যুদ্ধাপরাধ মামলার চূড়ান্ত রায় ঘোষণার আগেই নানামুখী আলোচনা শুরু হয়।’
প্রসঙ্গত, মীর কাশেমের আপিলের রায়ের বিষয়ে এক আলোচনা সভায় খাদ্যমন্ত্রী কামরুল ইসলাম ও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী মোজাম্মেল হক রায় নিয়ে সংশয় প্রকাশ করে প্রধান বিচারপতিকে বাদ দিয়ে নতুন বেঞ্চে পুনঃশুনানির দাবি তোলেন।
তবে সব আলোচনা-সমালোচনা উপেক্ষা করে আপিলের রায়েও মীর কাসেমের ফাঁসির আদেশ বহাল থাকে।
অপরদিকে, প্রধান বিচারপতি এবং বিচারাধীন মামলার বিষয়ে চরম আপত্তিকর মন্তব্যের জন্য আদালত অবমাননার দায়ে দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় দুই মন্ত্রীকে দেশের সর্বোচ্চ আদালত দণ্ড দেন। সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ তাদের প্রত্যেককে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে তাদের ৭ দিন করে কারাদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়।


