বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

হাইকোর্টে ২৬টি দুর্নীতি মামলার পুনঃ শুনানি হবে

news_img_118930দীর্ঘদিন ঝুলে থাকার পর দুর্নীতির ২৬টি মামলার বিচার হাইকোর্টে আবার শুরু হচ্ছে। আপিল বিভাগের একটি মামলার পর্যবেক্ষণের প্রেক্ষাপটে এমনটি ঘটছে। ওই মামলার রায়ে বলা হয়, দুর্নীতি দমন কমিশন আইনের ২৬ ও ২৭ ধারার মামলা আলাদা অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। সে কারণেই অবৈধ সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের বিষয়ে আলাদা শুনানি হবে।

সম্প্রতি দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী মোফাজ্জেল হোসেন চৌধুরী মায়ার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও সম্পদের তথ্য গোপনের মামলা নতুন করে হাইকোর্টে শুনানি করতে নির্দেশ দিয়েছে আপিল বিভাগ। দুদক আইনের ২৬ ধারায় সম্পদের হিসাব বিবরণী ও তথ্য গোপনের অভিযোগে মায়াকে নোটিশ দেয়া হয়। কিন্তু  ২০০৭ সালে কমিশন ছিলো না, তাই তৎকালীন দুর্নীতি দমন ব্যুরো সচিবের দেয়া নোটিশ অবৈধ গণ্য করে দুর্নীতির দুই মামলাই বাতিল করে হাইকোর্ট। ২০১০ সালে হাইকোর্টের ওই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করে দুদক।

সম্প্রতি দুর্নীতির অন্য মামলায় দেয়া এক রায়ে আপিল বিভাগ বলে, দুদক আইনের ২৬ ও ২৭ ধারায় দায়ের করা অভিযোগ আলাদা অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হবে। ২৬ ধারায় সম্পদ বিবরণীর মামলায় নোটিশ দেয় দুদক। আর ২৭ ধারায় জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের অভিযোগ দায়ের করা হয়।

এই প্রেক্ষাপটে দুর্নীতির ২৬ মামলায় মায়াসহ বিচারিক আদালতে সাজা পাওয়া আসামিরা হাইকোর্টে খালাস পান। দুদকের আইনজীবী জানান, এসব মামলার দ্রুত শুনানির জন্য আবেদন করবেন তিনি।

আবার শুনানি হতে যাওয়া এসব দুর্নীতি মামলার আসামিদের মধ্যে আছেন- আওয়ামী লীগ নেতা হাজী সেলিম ও জয়নাল হাজারি এবং বিএনপির নেতা মীর নাসির, মীর হেলাল, নাজমুল হুদা, সিগমা হুদা, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, আমান উল্লাহ আমান, গিয়াস উদ্দিন আল মামুন, মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী। এছাড়া কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা ও আমলার মামলারও শুনানি হবে।

আরও পড়ুন