পুরো ক্রিকেট দুনিয়ায় এখন এক মূর্তিমান আতঙ্কের নাম মুস্তাফিজুর রহমান। বাংলাদেশের এই কাটার মাস্টারের বোলিংয়ের ভাষা না বুঝলেও তার মুখের ভাষা বোঝার চেষ্টা করছেন ওরা। হায়দরাবাদ সানরাইজার্সের মেন্টর, কোচ ও অধিনায়ক এখন সেই চেষ্টা করছেন। মেন্টর ভিভিএস লক্ষ্মণ তো তার টুইটে সরাসরি দুটি বাংলা শব্দই ব্যবহার করেছেন। কোচ টম মুডির বাংলা এখনো শক্তপোক্ত হয়নি। তিনি ‘বাংলিশ’-এ টুইট করেছেন। আর ওদিকে অধিনায়ক ডেভিড ওয়ার্নার জানিয়েছেন, তিনিও শেখার চেষ্টা করছেন বাংলা। গুগল ট্রান্সলেটরের সাহায্য নিয়ে।
সানরাইজার্সের মেন্টর ভিভিএস লক্ষ্মণ টুইট করেন, ‘মুস্তাফিজকে পেয়ে সানরাইজার্স আনন্দিত। ও “উজ্জ্বল ও আমুদে”। তা-ই নয় কি?’ লক্ষ্মণের টুইটে উজ্জ্বল ও আমুদে শব্দ দুটি লেখা হয়েছে বাংলায়। ভারতীয় ব্যাটিং কিংবদন্তির প্রশ্নটার উত্তর দিতে গিয়ে অস্ট্রেলিয়ান কোচ মুডিও গুগল ট্রান্সলেটরের সাহায্য নেন। তবে কোনো কারণে বাংলায় অনুবাদ না হয়ে তাঁর টুইট হয়ে গেছে বাংলা অক্ষরে ইংরেজি।
মুডি টুইট করেছেন, ‘নিঃসন্দেহে ভিভিএস। ও “বন্দের্ফুল্লি ফানি এন্ড তালেন্তেদ ইউং মান।” মুডি সম্ভবত লিখতে চেয়েছিয়েন ‘ওয়ান্ডারফুলি ফানি অ্যান্ড ট্যালেন্টেড ইয়াং ম্যান’।
মুস্তাফিজের ইংরেজি এখনো সড়গড় নয়। তবে মিডিয়ার সামনে মুখচোরা হলে কী হবে, ড্রেসিংরুমে যে এই ২০ বছর বয়সী কাটার মাস্টার দারুণ সপ্রতিভ, তারই ইঙ্গিত মিলছে সানরাইজার্সের কোচ ও মেন্টরের কথা। বেশ আমুদে মেজাজে যে আছেন, সেটা তার বোলিং বা বিভিন্ন ছবিতেও দেখা যায়। আর ভাষা সমস্যাটা তাঁর কাছে সমস্যাই নয়। নিজে যতটুকু পারেন, সেটি দিয়েই বেশ যোগাযোগ করে নিচ্ছেন। আইপিএল শুরুর দিকে প্রথম আলোতেই লেখা হয়েছিল, ‘তাঁর ইংরেজি শেখার চেয়ে বাকিরা বরং বাংলা শিখে নিক না।’ এখন তো দেখা যাচ্ছে ওয়ার্নাররা সেই পরামর্শই শুনেছেন!
সানরাইজার্স অধিনায়ক টুইট করেছেন, ‘ফিজের (মুস্তাফিজকে এই নামেই এখন ডাকছে অনেকে) জন্য আমি গুগলে ট্রান্সলেশন ব্যবহার করছিলাম। দেখছিলাম কীভাবে বাংলা বলতে পারি।’


