শুক্রবার ৬ নভেম্বর ২০২৬

ভারত সীমান্তে বাংলাদেশি ছাত্রীর লাশ

Border-ssনীলফামারীর ডিমলা সীমান্তে ৩য় শ্রেণির ছাত্রীকে হত্যার পর লাশ বালু দিয়ে চাপা দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। ভারতের অভ্যন্তরে লাশটি দেখতে পেয়ে এলাকাবাসীকে সংবাদ দিলে বাংলাদেশের পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নে নিখোঁজ ছাত্রীর পরিবারটি লাশ শনাক্ত করে। পরে লাশ ভারতের পুলিশ নিয়ে যায়। আজ শুক্রবার ভারতে লাশ ময়নাতদন্ত শেষে বিকালে হস্তান্তর করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

মেয়েটির পবিবারের দাবি, ১মে সন্ধ্যায় ডিমলা উপজেলার পূর্ব ছাতনাই ইউনিয়নের ছাতনাই গুচ্ছগ্রামের ইয়াছিন আলীর কন্যা ও দক্ষিণ ঝাড়সিংশ্বের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩য় শ্রেণির ছাত্রী ইয়াছমিন আক্তার (১০) নিখোঁজ হয়। ঘটনার দিন বিকালে তিস্তার পাড়ে গ্রোয়িং বাঁধ সংলগ্ন নদীর পাড়ে ১০-১২ জন প্রতিবেশী শিশুসহ ইয়াছমিন খেলা করছিল। এমন সময় সেখানে অপরিচত দুজন মানুষ তাদের খেলা দেখছিল। তাদের বয়স ২০-২৫ বছর হবে বলে ইয়াছমিনের খালা ও দোহলপাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ৭ম শ্রেণির ছাত্রী হোসনে আরা (১৩) জানায়।

সে আরও বলে, অপরিচিত দুজন তাদের দেখে হাসাহাসি করছিল। সন্ধ্যায় সময় আমরা সকলে বাড়ি গেলেও ইয়াছমিন গরু আনার জন্য ক্ষেতে যায়। এলাকাবাসীর ধারণা, অজ্ঞাত যুবকদ্বয় তাকে ডেকে নিয়ে যেতে পারে।

ইয়াছমিনের বাবা ইয়াছিন আলী, হায়দার আলী ভুঁইয়া গত ৩রা মে ডিমলা থানায় জিডি করতে গেলেও পুলিশ ৩ ঘণ্টা বসিয়ে রেখেও জিডি নেয়নি।

বুধবার বিকালে লাশের সংবাদ শুনে বিজিবির ৭ ব্যাটলিয়ন কমান্ডার কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান, থানার হাট বিজিবি ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার সুবেদার আবুল কালাম আজাদ ও ভারতের বিএসএফের পক্ষে ১৩ ব্যাটালিয়ন রানীনগর কোম্পানি কমান্ডার একে ঠাকুর পতাকা বৈঠক করেন।

লাশটি ভারতের অভ্যন্তরে ৫ গজ ভিতরে থাকায় বিএসএফ লাশটি দিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরে সেখানে ডিমলা থানার ওসি (তদন্ত) হারিছুল ইসলাম ও মেকলীগঞ্জ থানার ওসি রাজু শর্মা পৃথক বৈঠক করেন।

ভারতের পুলিশ জানিয়েছে, লাশ ময়না তদন্ত শেষে হস্তান্তর করা হবে।

আরও পড়ুন