পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পরিচয় দেয়া এক ব্যক্তিকে কক্সবাজার বিমানবন্দর থেকে ইয়াবাসহ আটক করেছে শুল্ক পুলিশ। শুক্রবার বিকেলে বিমানবন্দর ইমিগ্রেশনে তল্লাশির তাকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করা হয়। নিষিদ্ধ ইয়াবা ও ভুয়া পরিচয় দেয়ার অভিযোগে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, আটক ব্যক্তির নাম শহিদুর রহমান। ঢাকার ধানমন্ডির এ বাসিন্দার বাবার নাম মুজিবুর রহমান। নির্দিষ্ট কোনো পেশা নেই ভুয়া সরকারি কর্মকর্তা পরিচয় দেয়া শহীদুরের। পুলিশ বলছে, নিষিদ্ধ ইয়াবা আনা-নেয়াই ছিল তার প্রধান ব্যবসা।
আটক শহিদুর রহমানের কাছ থেকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পরিচয়ের ভুয়া ভিজিটিং কার্ডও জব্দ করেছে পুলিশ। উপসচিব পরিচয় দেয়া শহিদুর রহমানের কাছ থেকে যে ভিজিটিং কার্ড জব্দ করা হয়েছে তাতে তার নাম রয়েছে মো. খোরশেদ আলম। ভুয়া এ উপ-সচিবের কাছে বিভিন্ন পরিচয়ের আরো বেশ কয়েকটি ভিজিটিং কার্ডও পাওয়া গেছে।
পুলিশ জানায়, শহিদুর রহমানের ব্যাগ তল্লাশি করে ২৩ হাজার ৪শ’ ইয়াবা পাওয়া যায়।
কক্সবাজার সদর থানার এসআই আবদুর রহিম জানান, তল্লাশির সময় ইয়াবাসহ শহিদুর রহমানকে আটক করে পুলিশে হস্তান্তর করে বিমান বন্দরের নিরাপত্তা কর্মীরা।
জিজ্ঞাসাবাদে শহিদুর রহমানের সত্যিকার পরিচয় উদ্ধার করতে সক্ষম হয় পুলিশ। প্রথমে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে উপ-সচিবের পরিচয় দিলেও পরে ভুয়া পরিচয়ের কথা স্বীকার করে শহিদুর রহমান।
পুলিশ জানায়, বিমানবন্দর দিয়ে উপ-সচিব পরিচয়ে প্রায়শই আসা-যাওয়া করতো শহিদুর রহমান। আসা-যাওয়ার সময় গতিবিধি সন্দেহ হলেও মালামাল তল্লাশি করতে চাইলে নিরাপত্তা কর্মিদের হুমকি-ধামকি দিয়ে ইমিগ্রেশন পয়েন্ট পার হয়ে যেতেন। উপ-সচিব পরিচয় দেয়ার তল্লাশি করতে চেয়েও হুমকির মুখে তা থেকে বিরত থাকতো শুল্ক বিভাগের কর্মিরা।


