ছাত্রীকে শ্লীলতাহানির চেষ্টার অভিযোগে কুষ্টিয়া সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ প্রফেসর বদরুদ্দোজাকে তার বাসায় অবরুদ্ধ করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা ওই অধ্যক্ষের বাসায় ব্যাপক ভাঙচুর চালান এবং অধ্যক্ষ বদরুদ্দোজার বিচার দাবিতে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে কলেজ প্রাঙ্গণে বিক্ষোভ মিছিল করেন। পরিস্থিতি সামাল দিতে অধ্যক্ষের বাসভবনে পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে এ ঘটনা ঘটে।
নির্যাতিত ছাত্রী জানান, মাত্র কয়েক দিন আগে তিনি কলেজ হোস্টেলে সিট পেয়েছেন। হোস্টেলে মোবাইল ফোন ব্যবহারের নিয়ম নেই- এমন অভিযোগে অধ্যক্ষ বৃহস্পতিবার বিকেলে তাকে দপ্তরির মাধ্যমে হোস্টেলঘেঁষা নিজের সরকারি বাসায় ডেকে নেন। এ সময় বাসায় কেউ ছিল না। বাসার দ্বিতীয় তলায় নিয়ে গিয়ে অধ্যক্ষ হোস্টেলে তার সিট বাতিলের কথা জানান। এ সময় ওই ছাত্রী তার সিট বাতিল না করার দাবি জানালে অধ্যক্ষ তাকে অনৈতিক প্রস্তাব দেন। তাতে রাজি না হলে ওই ছাত্রীর শ্লীলতাহানির চেষ্টা চালান অধ্যক্ষ। এ সময় ওই ছাত্রী অধ্যক্ষকে ধাক্কা দিয়ে দৌড়ে পালিয়ে গিয়ে কলেজের অন্য শিক্ষার্থীদের বিষয়টি জানান।
তবে অধ্যক্ষ বদরুদ্দোজা বলেন, হোস্টেলে একটি মোবাইল ফোন চুরির ঘটনায় কথা বলার জন্য তিনি ওই ছাত্রীকে তার বাসভবনে ডেকেছিলেন।
তিনি বলেন, ”আমাকে ষড়যন্ত্র করে ফাঁসানো হয়েছে। কারণ আমি দীর্ঘ ৫ বছর যাবৎ এই কলেজের অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে আসছি। যার কারণে কেউ ঈর্ষান্বিত হয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে। ওই ছাত্রীর সিট বাতিল করার কথা বললে সে বাইরে গিয়ে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করেছে।”
কুষ্টিয়ার পুলিশ সুপার প্রলয় চিসিম জানান, ওই ছাত্রী অভিযোগ দিলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।


