বিশ্বের বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ দেশে শান্তি প্রতিষ্ঠা ও রক্ষায় বাংলাদেশ পুলিশের গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকার ভূয়সী প্রশংসা করেছে জাতিসংঘ। জাতিসংঘ বলেছে- বাংলাদেশের পুলিশ সদস্যদের নৈতিকতা, শৃঙ্খলাবোধ এবং পেশাদারিত্ব আজ বিশ্বব্যাপী প্রশংসিত। তারা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে যুদ্ধবিধ্বস্ত বিভিন্ন দেশে শান্তি স্থাপনে এক অনন্যসাধারণ অবদান অব্যাহত রেখেছেন।
সম্প্রতি স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব ড. মো. মোজাম্মেল হক খানের নেতৃত্বে এক প্রতিনিধিদল জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশন দারফুর ও সুদান (ইউএনএএমআইডি) পরিদর্শনকালে জাতিসংঘের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ বাংলাদেশ পুলিশের এ প্রশংসা করেন। প্রতিনিধিদলে ছিলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব আখতার হোসেন ভূইয়া এবং পুলিশ হেডকোয়ার্টার্সের ইউএন এ্যাফেয়ার্স শাখার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. কফিল উদ্দিন।
বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এবং প্রতিনিধিদলের সদস্যরা ইউএনএএমআইডি পুলিশ কমিশনার মিস প্রিজিলা একং ডেপুটি পুলিশ কমিশনার ফ্রান্ক কফি স্যামির সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
প্রতিনিধিদল জয়েন্ট এইউ-ইউএন স্পেশাল রিপ্রেজেনটেটিভ ফর হেড অফ ইউএনএএমআইডি এবং জয়েন্ট চিফ মেডিয়েটর মার্টিন আইওইজিয়ানইউয়োমোইভি’র সাথে বৈঠক করেন।
জাতিসংঘ কর্তৃপক্ষ দারফুর, সুদান শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশ পুলিশের সদস্য সংখ্যা বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেন। বাংলাদেশ পুলিশের কর্মদক্ষতা ও পেশাদারিত্বে মুগ্ধ হয়ে মিশন কর্তৃপক্ষ দারফুর, সুদান মিশনে কর্মরত পুলিশ কর্মকর্তাদের মেয়াদ এক বছর থেকে ৬ মাস বাড়িয়ে ১ বছর ৬ মাস করার অনুরোধ জানান। তারা জাতিসংঘের ম্যান্ডেন্ট বাস্তবায়নের পাশাপাশি সুদানে শান্তিরক্ষায় সহায়তা প্রদানের জন্য বাংলাদেশ সরকারের প্রতি বিশেষ কৃতজ্ঞতা জানান।


