একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। নীতিমালা অনুযায়ী আগামী ২৬ মে থেকে ভর্তিইচ্ছু শিক্ষার্থীরা দেশের সব সরকারি-বেসরকারি কলেজে অনলাইন ও এসএমএসের মাধ্যমে আবেদন করতে পারবে।
ভর্তির জন্য মনোনীতদের তালিকা প্রকাশ করা হবে ১৬ জুন। ভর্তি শুরু হবে ১৮ জুন। ১০ জুলাই ক্লাস শুরু হবে। এর আগে গত ৯ মে সংশ্লিষ্টদের নিয়ে সভা করে নীতিমালাটি চূড়ান্ত করে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ওই দিন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ সাংবাদিকদের কাছে ভর্তি নীতিমালার বিভিন্ন দিক তুলে ধরেন।
এবার ভর্তিতে শিক্ষার্থীরা পাঁচটির পরিবর্তে পছন্দের ১০টি কলেজের নাম দিতে পারবেন। একই সঙ্গে প্রথমবারের মতো প্রবাসীদের সন্তান ও বাংলাদেশ ক্রীড়া শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের (বিকেএসপি) শিক্ষার্থীদের জন্য কোটা রাখা হয়েছে।
গত কয়েক বছরের মতো এবারও এসএসসির ফলের ভিত্তিতেই একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। অনলাইন ও টেলিটকে এসএমএসের মাধ্যমে ভর্তির আবেদন করা যাবে ২৬ মে থেকে ৯ জুন পর্যন্ত। অনলাইনে আবেদনের ঠিকানা www.xiclassadmission.gov.bd।
যারা ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করেছেন তাদেরও এ সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে। নীতিমালা অনুযায়ী, ভর্তি ১৮ জুন শুরু হয়ে শেষ হবে ৩০ জুন। বিলম্ব ফি দিয়ে ১০ থেকে ২০ জুলাই পর্যন্ত ভর্তি হওয়া যাবে।
শিক্ষাসচিব মো. সোহরাব হোসাইন স্বাক্ষরিত নীতিমালায় বলা হয়েছে, অনলাইনে ১৫০ টাকা আবেদন ফি জমা দিয়ে সর্বোচ্চ ১০টি কলেজে আবেদন করা যাবে। অনলাইনে একবারই আবেদন করা যাবে।
এসএমএসের মাধ্যমে আবেদনের ক্ষেত্রে প্রতি কলেজের জন্য ১২০ টাকা ফি দিতে হবে। এক্ষেত্রেও সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে পছন্দক্রমে রাখতে পারবেন শিক্ষার্থীরা। এসএমএসে ১০ কলেজে ভর্তির আবেদনে শিক্ষার্থীকে ১ হাজার ২০০ টাকা খরচ করতে হবে।
বিজ্ঞান শাখা থেকে উত্তীর্ণরা যেকোনো বিভাগে ভর্তি হতে পারবে। মানবিক শাখা থেকে উত্তীর্ণরা মানবিকের পাশাপাশি ব্যবসায় শিক্ষা শাখায় ভর্তি হতে পারবে। ব্যবসায় শিক্ষায় শিক্ষার্থীরা ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক বিভাগে ভর্তি হতে পারবে।
নীতিমালায় বলা হয়েছে, বিজ্ঞান বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান জিপিএপ্রাপ্তদের মেধাক্রম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত, উচ্চতর গণিত অথবা জীববিজ্ঞানে প্রাপ্ত জিপিএ বিবেচনায় আনা হবে। মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে সমান জিপিএপ্রাপ্তদের ভর্তির ক্ষেত্রে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলায় অর্জিত গ্রেড পয়েন্ট বিবেচনা করা হবে।
নীতিমালা অনুযায়ী, এক বিভাগের প্রার্থী অন্য বিভাগে ভর্তির ক্ষেত্রে গ্রেড পয়েন্ট একই হলে সর্বমোট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। এরপরও জটিলতা হলে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে অর্জিত পয়েন্ট বিবেচনায় আনতে হবে। স্কুল ও কলেজ সংযুক্ত প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে নিজ প্রতিষ্ঠানে ভর্তির সুযোগ পাবেন।


