বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

মেয়রের কাজ পরিষ্কার আর বাতি জ্বালানো: আনিসুল

mayor anisulঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আনিসুল হক বলেছেন, ‘পরিষ্কার করা ও বাতি জ্বালানো ছাড়া মেয়রের তেমন কোনো কাজ নেই। রোববার রাজধানীর সিরডাপ মিলনায়তনে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

“সব জায়গার মশা মারার ক্ষমতাও এই পরিষদের নেই। সিটি করপোরেশন এলাকায় প্রয়োজনীয় পাবলিক টয়লেট বসানোর জায়গাও পাওয়া যাচ্ছে না। পয়ঃনিস্কাশন, পানি সরবরাহ, পুলিশের উপর নিয়ন্ত্রণ, আবাসন এসব কোনো কিছুর উপরই মেয়রের নিয়ন্ত্রণ নেই।”

বাংলাদেশ মহিলা পরিষদ আন্দোলনের উপ-পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির এই মতবিনিময় সভায় আনিসুল হক আরও বলেন, ‘সিটি করপোরেশন এলাকা জুড়ে গড়ে ওঠা দেয়ালগুলো এখানকার পরিবেশ রক্ষায় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। ঢাকা শহরের আবহাওয়া এতোটাই খারাপ যে, এখানকার ২৫ ভাগ শিশু ফুসফুসের গুরুতর রোগ ও সমস্যায় আক্রান্ত। দেয়ালগুলো ভেঙে ফেলা সম্ভব হলে মহানগর অনেকটাই খোলামেলা হবে। আমরা সিটি করপোরেশন এলাকার দেয়ালগুলো ভেঙে ফেলার চেষ্টা করছি। অথচ সিভিল এভিয়েশন দেয়াল নির্মাণ করছে।’

তিনি বলেন, ‘সিটি করপোরেশনে ই-টেন্ডারিং চালু করা হয়েছে। এখন কোনো ঠিকাদারকে অফিসে আসতে হয় না। তাদের বাসায় চেক পৌঁছে দেয়া হয়। সিটি করপোরেশনে তিনদিনের মধ্যে ফাইলে নোট দেয়ার বিধান চালু করা হয়েছে।’

গণপরিবহনের বিশৃঙ্খলা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এ খাত পরিচালনা করে একটি সিন্ডিকেট। একটি বাস পরিচালনায় শ্রমিক-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা বাবদ যদি ২০০ টাকা অফিসিয়াললি খরচ হয় তবে সিন্ডিকেটের জন্য লাগে ৭০০ টাকা। ফ্রানঞ্চাইজ পদ্ধতিতে নতুন করে ৩ হাজার বাস নামানোর চেষ্টা করা হচ্ছে।’

মেয়র বলেন, ‘অনেক সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমি এবং আমার পরিষদ অত্যন্ত ঘনবসতির এই সিটি করপোরেশনের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি। এখানে প্রতি বর্গকিলোমিটারে ৮৫ হাজার মানুষ বাস করে। এদের সব নাগরিকসেবা নিশ্চিত করা সহজ নয়। এসব সমস্যা কাটাতে অন্তত ৪ থেকে ৫ বছর সময় দরকার।’

আরও পড়ুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *