বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

প্রধান শিক্ষককে কানে ধরে উঠ-বসের ঘটনা তদন্তের নির্দেশ

Narayanganj-HEadmastersস্থানীয় সাংসদের উপস্থিতিতে নারায়ণগঞ্জের একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষককে কানে ধরে উঠ-বস করানোর ঘটনা তদন্তের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরকে (মাউশি) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী নুরুল ইসলাম নাহিদ।

আজ সোমবার দুপুরের পরে সচিবালয়ে কয়েকজন সাংবাদিকের কাছে শিক্ষামন্ত্রী এ কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, এ ঘটনায় তিনি মর্মাহত। একজন শিক্ষকের সঙ্গে এ ধরনের অসম্মানজনক আচরণ কাম্য হতে পারে না। কেউ দোষ করলে নিয়মনীতি অনুসারে ব্যবস্থা নেওয়া হতে পারে। এ ধরনের অসম্মানজনক ঘটনা কাম্য নয়।

নুরুল ইসলাম নাহিদ বলেন, মাউশিকে ওই শিক্ষকের সঙ্গে কথা বলার জন্য বলা হয়েছে। ওই শিক্ষক যেন মানসিকভাবে ভেঙে না পড়েন।

এ ব্যাপারে মাউশির মহাপরিচালক ফাহিমা খাতুন বলেন, এ বিষয়ে প্রতিবেদন দিতে নারায়ণগঞ্জ জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে বলা হচ্ছে। তিনিও এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন।

এর আগে সচিবালয়ে এ ঘটনায় খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে বলে জানান শিক্ষামন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রয়োজনে এ বিষয়ে তদন্ত কমিটিও গঠন করা হবে।

গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদ অনুযায়ী, নারায়ণগঞ্জের পিয়ার সাত্তার লতিফ হাইস্কুলের প্রধান শিক্ষক শ্যামল কান্তি ভক্তকে কয়েক দিন আগে স্থানীয় সাংসদ সেলিম ওসমানের উপস্থিতিতে কানে ধরে উঠ-বস করানো হয় বলে অভিযোগ ওঠে। এ ঘটনার খবর বিভিন্ন পত্রপত্রিকার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ায় ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা চলছে।

‘ধর্ম নিয়ে কটূক্তি’ করার অভিযোগে নারায়ণগঞ্জের স্থানীয় একদল লোক সাংসদের উপস্থিতিতে ওই প্রধান শিক্ষককে কানে ধরে উঠ-বস করান বলে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশিত হয়। তবে ওই শিক্ষক ‘ধর্ম নিয়ে কটূক্তির’ অভিযোগ অস্বীকার করে আসছেন।

এর আগে সচিবালয়ে আরেক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, এবারের এসএসসি পরীক্ষায় বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে হিন্দুধর্ম বিষয়ে যে ভুল হয়েছিল, সে বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। এর ভিত্তিতে দায়ী ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এবারের বরিশাল শিক্ষা বোর্ডে উত্তরপত্র মূল্যায়নে ভুল হওয়ায় অনেকে প্রথমে এ বিষয়ে অকৃতকার্য হয় কিংবা জিপিএ কম পায়। পরে অবশ্য তা সংশোধন করা হয়েছে। এতে অনেকে নতুন করে কৃতকার্য হয় কিংবা জিপিএ-৫ পায়।

আরও পড়ুন