বাগেরহাটের মোড়েলগঞ্জে সহকর্মী এক শিক্ষিকাকে কুপ্রস্তাব ও শ্লীলতাহানির অভিযোগে প্রধান শিক্ষককে গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ করা হয়েছে।
সোমবার দুপুরে উপজেলার বারইখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে।
এ সময় বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেনকে (৬০) একটি কক্ষে তালাবদ্ধ করে রাখে।
ভুক্তভোগী ওই সহকারী শিক্ষিকা জানান, রোববার বিকালে বিদ্যালয়ের কিছু কাজ করে দেয়ার জন্য অনুরোধ করেন প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেন। ওই কাজ করার সময় প্রধান শিক্ষক সহকারী শিক্ষিকাকে কুপ্রস্তাব দেন।
এতে তিনি রাজি না হওয়ায় এক পর্যায়ে জোরপূর্বক তাকে জড়িয়ে ধরেন। এ সময় ওই শিক্ষিকা চিৎকার দিয়ে দৌড়ে বিদ্যালয়ের মাঠের মধ্যে চলে গেলে স্থানীয়রা বিষয়টি জানতে পারেন। এ সময় বিদ্যালয়ে অন্য কোনো শিক্ষক বা ছাত্রছাত্রী ছিল না।
এই ঘটনার জের ধরে সোমবার অভিভাবকরা ইসমাইল হোসেনকে মারপিট করে একটি কক্ষে আটকে রাখে।
একই সময়ে প্রধান শিক্ষকের দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবিতে বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে মিছিল করেন অভিভাবকরা।
পরে খবর পেয়ে মোড়েলগঞ্জ থানা পুলিশ ঘটনাস্থলে দিয়ে প্রধান শিক্ষক ইসমাইল হোসেনকে আটক করে থানায় নিয়ে আসে।
মোড়েলগঞ্জ উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. আনিসুর রহমান বলেন, সহকারী শিক্ষিকার সঙ্গে অসদাচারণ ও এলাকায় পূর্বের ঝামেলা নিয়ে এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছিল। এ ঘটনায় বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে লিখিতিভাবে জানানো হয়েছে।


