মাদ্রাসায় পড়া দেখানোর নাম করে সাত বছরের শিশু শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায়ে মাদ্রাসারই এক শিক্ষককে আটক করেছে পুলিশ। বগুড়ার ধুনট উপজেলায় বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে এ ঘটনার শিকার শিশুটিকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার বেলা দেড়টার দিকে পড়া শেষে অন্য শিশুদের ছুটি দেন শিক্ষক আবদুল আজিজ। এরপর এই শিশুটিকে ভালোভাবে পড়া শেখার জন্য তাবিজ-কবচ দেওয়ার কথা বলে নিজের কক্ষে নিয়ে যান। একপর্যায়ে শিশুটিকে ধর্ষণ করেন। এ সময় শিশুটির চিৎকারে মাদ্রাসার অন্য কক্ষের আবাসিক শিক্ষার্থীরা ঘটনাস্থলে এসে আজিজকে ঘিরে রেখে শিশুটির পরিবারকে খবর দেয়। পরিবার ও স্থানীয় লোকজন ঘটনাস্থলে গিয়ে শিশুটিকে উদ্ধার করে ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান।
ধুনট উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের চিকিৎসক আশরাফ আলী বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণের আলামত পাওয়া গেছে। প্রচুর রক্তক্ষরণ হচ্ছিল বলে উন্নত চিকিৎসার জন্য জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে অভিযুক্ত আজিজকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। থানা-হাজতে আটক আজিজ শিশুটিকে ধর্ষণের কথা গণমাধ্যমের কাছে শিকার করেন।
ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থল থেকে আবদুল আজিজকে আটক করা হয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে শিক্ষার্থীকে ধর্ষণের দায় ও ঘটনার সত্যতা স্বীকার করেছেন। এ ঘটনায় থানায় মামলার প্রস্তুতি চলছে।
গ্রেপ্তার হওয়া আব্দুল আজিজ (২৫) উপজেলার জোড়খালি হাফিজিয়া নূরানী মাদ্রাসার শিক্ষক। তিনি সিরাজগঞ্জের সলংঙ্গা থানার শাহরিয়ারপুর গ্রামের আকবর আলীর ছেলে।


