বুধবার ৪ নভেম্বর ২০২৬

ট্রাফিক পুলিশের সঙ্গে কথা বলার সময় ফোনে রেকর্ড করুন

SI-Rakib-Kurilতানভীর রহমান।

কুড়িল ফ্লাইওভার হয়ে নতুনবাজার যাচ্ছি। পুলিশ সিগন্যাল দিল, গাড়ি থামালাম।

ড্রাইভার মামার লাইসেন্স আর গাড়ির পেপারস অনেকক্ষণ কালোমুখে দেখার পর সার্জেন্ট রাকিব এর চোখমুখ হঠাৎ উজ্জ্বল হয়ে গেল! আমি নেমে গিয়ে পাশে দাঁড়ালাম।

– আপনার গাড়ি?
– হু, আমাদের
– ফিটনেস সার্টিফিকেট কই?
– এইযে
– এইটা চলবে না
– ফিটনেস এর এগেইনষ্টে ফি জমা দিসি, এইযে এটার রিসিপ্ট। সার্টিফিকেট নিয়া আসা হয়নাই এখনো।
– আমাকে শেখাতে আসবেন না!
– আপনারে কি শিখালাম? আচ্ছা এখন কি করবেন বলেন।
– (কন্সটেবল এর দিকে তাকিয়ে) রেকার লাগাই? নাকি ডাম্পিং এ দিয়া দিমু? পড়ে দের লাখ টাকা লাগবো ছুটাইয়া আনতে।
– ইচ অ্যান্ড এভ্রি পেপার্সস আর আপ টু ডেট। ফিটনেস এর জন্য সরকারকে ফি দিয়েছি, সেই মানি রিসিপ্টও আছে। কোন হিসেবে কেস করবেন, ডাম্পিং করবেন? মন চাইলে করেন। পরে কি হয় দেখবোনে।

কনষ্টেবল কানেকানে এসে বলে, “ভাই চা নাস্তার ব্যবস্থা করেন, ঝামেলা বাড়াইলেই ঝামেলা”
“এক টাকাও দিবো না, কাগজে কোন প্রবলেম পাইছেন?” আমি বললাম।

পিছন থেকে আমাদের ড্রাইভার মামা এসে বললো, “মামা চলেন কাগজ দিয়া দিসে”
গাড়িতে বসার পর শুনলাম তিনি নাকি ৫০০ টাকা দিয়ে এসছেন এই ভয়ে ‘যদি তার ড্রাইভিং লাইসেন্স না দেয়!

পুলিশের চাইতে মামার প্রতি বেশী জেদ লাগছে এখন। আমরাই এদের খাইয়ে খাইয়ে খুধা বাড়িয়ে অসীম পর্যায়ে নিয়ে গেছি।

কখনো এরা যদি আপনার চলন্ত গাড়ি থামিয়ে বলে “অবৈধভাবে (!) রাস্তায় পার্কিং করবার জন্য আপনার নামে মামলা করবো, বাঁচতে চাইলে টাকা দেন”
আপনার কিছুই করার থাকবে না।

সবাইকে বলছি শোনেন, কোনও পুলিশের সাথে এমন পরিস্থিতির সম্মুখীন হলে অতি অবশ্যই আগ থেকে ফোনে রেকর্ডার চালু করে রাখবেন। যেন আইনের অপপ্রয়োগকারী দের বিরুদ্ধে প্রয়োজনে প্রমাণ সহ আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায়। (ছবিতে এসআই রাকিব)

(তানভীর রহমানের ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে পাওয়া)
: https://www.facebook.com/ephemeral.tanweer?fref=nf

আরও পড়ুন