সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে একদিন আগেই রোজা রাখবে বাংলাদেশের অনেক মুসলমান। তারা আজ রাতেই সেহেরি খেয়ে সোমবার রোজা রাখেছেন বলে জানা গেছে।
চট্টগ্রামের চন্দ্রনাইশ শাহসুফি দরবার শরিফ ও সাতকানিয়া মির্জাখালী দরবার শরিফের অনুসারীরা বিশ্বের যে কোনো জায়গায় প্রথম চাঁদ দেখা সাপেক্ষে এ রোজা পালন শুরু করেন।
দরবার শরিফ সূত্রে জানা যায়, প্রায় ২০০ বছর আগে থেকে দরবার শরিফের মুরিদরা সৌদি আরবের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে রোজা, ঈদ ও কোরবানি করে থাকেন।
মূলত দক্ষিণ চট্টগ্রামে ও চাঁদপুরের বেশকয়েকটি গ্রাম, বরিশাল বিভাগের অনেক গ্রাম, কুমিল্লা, কুড়িগ্রাম, মাদারীপুর, ফরিদপুর, জামালপুর, দিনাজপুর, ঝিনাইদহ, মুন্সীগঞ্জ, নারায়ণগঞ্জ, নোয়াখালীর বেশকিছু গ্রামে এ রীতি রয়েছে।
সাতকানিয়ার মীর্জারখীল দরবার এলাকার বাসিন্দা হেলালুল হাই বলেন, ‘রোববার সৌদি আরবে চাঁদ দেখা যাওয়ায় আমরা সোমবার থেকে রোজা রাখা শুরু করবো। আজ রাতেই সেহেরি খাবো। এমনকি আজ থেকেই শুরু হয়েছে তারাবির নামাজ।’
তিনি বলেন, ‘পূর্ব-পুরুষদের প্রথা অনুযায়ীই সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে রোজা রেখে আসছে। লোকমুখে প্রচলিত আছে, প্রায় দু’শ বছর আগে আমাদের পীর মুরিদদের নির্দেশ দিয়েছিলেন, সৌদি আরবে যেদিন চাঁদ দেখা যাবে পরদিন থেকেই বিশ্বের সকল স্থানে রোজা পালন শুরু হবে। একইভাবে ঈদুল ফিতর এবং ঈদুল আযহাও পালন করতে হবে সৌদি আরবের অনুসরণে। এরপর থেকেই এসব গ্রামে সৌদি আরবের রীতি অনুসারে রোজা ও দুটি ঈদ পালনের রীতি চলে আসছে।’


