বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

এসপি’র স্ত্রী হত্যায় ব্যবহৃত মোটরসাইকেল খুঁজে পেয়েছে পুলিশ

Police-Wife-Killing Bikeচট্টগ্রাম নগরীর পাঁচলাইশ থানার শুলকবহর থেকে পুলিশ সুপার বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতু হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করেছে পুলিশ।

রোববার রাত ৩টার দিকে শুলকবহর বড় গ্যারেজ এলাকা থেকে মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়। পাঁচলাইশ থানার ওসি (তদন্ত) মো. গিয়াস উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে শুলকবহর বড় গ্যারেজ এলাকা থেকে মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। মোটরসাইকেলটি নম্বর চট্টো মেট্রো-ল-১২-৯৮০৭। বর্তমানে মোটরসাইকেলটি চট্টগ্রামের ডিবি কার্যালয়ে রাখা হয়েছে।

তবে বড় গ্যারেজ এলাকার কোথা থেকে, কোন অবস্থায় মোটরসাইকেলটি উদ্ধার করা হয়েছে তা জানাতে পারেননি পুলিশের এ কর্মকর্তা।

মোটর সাইকেলে করে আসা তিন হামলাকারী জিইসি মোড়সংলগ্ন মিষ্টির দোকান ওয়েল ফুডের সামনে মিতুকে প্রথমে ছুরি মারে এবং পরে মাথায় গুলি করে মৃত্যু নিশ্চিত করে চলে যায়।

আশপাশের বিভিন্ন দোকানের সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ বলছে, হত্যাকাণ্ড শেষ করতে খুনিরা সময় নিয়েছে ৪০ থেকে ৫০ সেকেন্ড।

এই খুনের সঙ্গে সাম্প্রতিক বিদেশি, হিন্দু ‍পুরোহিত, খ্রিস্টান যাজকদের হামলার মিল রয়েছে; যেসব ঘটনায় জঙ্গিরাই মূল সন্দেহভাজন।

এর আগে গতকাল রাতে মাহমুদা অাক্তার মিতুর হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় অজ্ঞাতনামাদের আসামি করে পাঁচলাইশ থানা একটি মামলা দায়ের হয়েছে। পাঁচলাইশ থানার এসআই ত্রিরতন বড়ুয়া বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

রোববার সকাল ৭টার দিকে নগরীর জিইসি মোড়ে প্রকাশ্যে গুলি করে পুলিশ কর্মকর্তা বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা আক্তার মিতুকে হত্যা করে দৃর্বৃত্তরা। দুই ছেলে-মেয়েকে নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট স্কুলে যাওয়ার সময় এ ঘটনা ঘটে। অতি সম্প্রতি বাবুল আক্তারের পদোন্নতির পর ঢাকায় অবস্থান করলেও তার স্ত্রী ছেলে-মেয়েকে নিয়ে নগরীর জিইসি এলাকার একটি ফ্ল্যাটে থাকতেন।

পিবিআই চট্টগ্রাম প্রধান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার বশির আহমেদ খান জানান, সকাল ৬টা ৩৫ মিনিটের দিকে বাসা থেকে ১০০ গজ দূরে ছেলেকে নিয়ে ক্যান্টনমেন্ট স্কুলে যাওয়ার পথে তিনজন মোটরসাইকেল আরোহী বাবুল আক্তারের স্ত্রীকে প্রথমে ধাক্কা দেয়। এরপর তারা ছুরিকাঘাত করে পরপর তিন রাউন্ড গুলি ছুড়ে পালিয়ে যায়। ঘটনাস্থল থেকে তিনটি গুলির খোসা উদ্ধার করা হয়েছে। ছুরিকাঘাতের পাশাপাশি মাহমুদা আক্তারের মাথার বাম পাশ গুলিবিদ্ধ হওয়ায় তিনি ঘটনাস্থলেই মারা যান।

আরও পড়ুন