শুক্রবার ৬ নভেম্বর ২০২৬

ষড়যন্ত্র করে নার্সদের বাড়ির সামনে পাঠানো হয়েছিলো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

sastho-montry_83834“নার্সরা কেন আমার বাড়ির সামনে যাবে? এটা তো আমার ব্যক্তিগত বাড়ি। কোনো আন্দোলন দরকার হলে সেটা সরকারি বাসভবনের সামনে যেতে পারতেন। আমি জেনেছি, ওখানে নার্সদের নামে ভাড়াটিয়া নার্স ছিল অর্ধেকের বেশি। আসলে তারা হেফাজতে ইসলামের মতো করতে চেয়েছিলেন। কোনোমতে মন্ত্রীর বাড়ির সামনে একটা লাশ ফেলতে পারলে সেটা নিয়ে সরকার উৎখাতের আন্দোলনে নামতে পারবেন। এই আন্দোলনের নামে মন্ত্রীর বাড়ির সামনে তারা লাশ চেয়েছিলেন।”

গত বুধবার মন্ত্রীর ধানমণ্ডির বাড়ির সামনে বেকার নার্সদের বিক্ষোভ নিয়ে সোমবার রমনার ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশনে আওয়ামী লীগ আয়োজিত এক আলোচনা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী মোহাম্মদ নাসিম।

তিনি বলেন, “তারা (ষড়যন্ত্রকারীরা) নার্সদের বলেছিল, এগিয়ে যাও আমরা আছি, ব্যবস্থা নিচ্ছি। শেখ হাসিনা সরকারকে আর কোনোভাবে পতন ঘটানো যাবে না ভেবেই নিরীহ নার্সদের দিয়ে আন্দোলন করিয়েছে।

“আপনারা জানেন, ঠিক হেফাজতে ইসলামের সময়ের মতো প্রোপাগান্ডা ছড়িয়েছে। ওই দিন নাকি ৪/৫টা নার্স মারা গেছে। এক গর্ভবতী মহিলা নাকি গর্ভপাত হয়েছে। পরে দেখা গেছে, কেউ মারা যায়নি; এমনকি ওই মহিলা নিজেই বলেছেন, আমি তো প্রেগনেন্টই হইনি, গর্ভপাত হবে কীভাবে?”

“ড্যাবের একজন নেতা, এনজিওকর্মী ও বিদেশি একটি গবেষণা সংস্থার একজন কর্মকর্তা ধানমন্ডির একটি বাসায় বৈঠক করেছিল। অর্থের বিনিময়ে আন্দোলন করানো হয়েছিল।”

আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য নাসিম বঙ্গবন্ধু সরকারের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী তার বাবা এম মনসুর আলীর বাড়ির সামনে বিক্ষোভের ঘটনাটির সঙ্গেও এবারেরটির তুলনা করেন।

“১৯৭৪ সালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মনসুর আলীর বাসায় যেমন জাসদ নামে একটি দল পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করেছিল, তেমনি তারা সরকার উৎখাতের জন্য একটা পরিস্থিতি সৃষ্টির চেষ্টা করেছে। কিন্তু প্ল্যান আমি সফল করতে দিইনি।”

ওই নার্সরা নিজেরাই এখন বিপাকে পড়েছে জানিয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, “এখন দেখি এই নার্সরা আমার কাছে এসে বলছে, আমরা তো পরীক্ষা দিতে পারি নাই, আমাদের পরীক্ষা নেন। বাস্তবে তাদের আমও গেল ছালাও গেল।”

আরও পড়ুন