“বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া দাবি করেছেন, তার মোবাইল নেই। শুনেছি, তিনি ল্যান্ডফোনে কথা বলেন। তাহলে তিনি তো এনালগ সিস্টেমেই রয়ে গেছেন। এখন তিনি যদি নতুন করে সিম কেনেন, তাহলে তাকে ভ্যাট-ট্যাক্স ও বায়োমেট্রিকে পদ্ধতিতে রেজিস্ট্রেশন করে কিনতে হবে।”
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপপরিষদ আয়োজিত ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ স্বপ্ন নয় বাস্তবতা’ শীর্ষক এক আলোচনা সভায় এসব মন্তব্য করেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ প্রতিমন্ত্রী তারানা হালিম।
বায়োমেট্রিক পদ্ধতিতে সিম নিবন্ধনের কারণে অপরাধ কমে যাবে বলে মনে করেন তারানা।
সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য সেন্ট্রাল সিকিউরিটি ইউনিট প্রয়োজন উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, “আমরা আইএসপির কাছ থেকে গ্রাহক পর্যায়ের তথ্য সংগ্রহ করছি। প্রতি সপ্তাহে সেই তথ্য আপডেট করছি। মাইক্রোসফটের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে এবং গুগলের সাথে আমাদের কথা হয়েছে। কোনো সাইবার এ্যাটাকের আশঙ্কা থাকলে তারা আমাদের জানাবে বলে আশস্ত করেছে।”
আলোচনা সভায় তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, “ডিজিটাল সিকিউরিটি এ্যাক্ট করা হচ্ছে।
“২ লাখ ৫০ হাজার নারীকে আমরা আইসিটি প্রশিক্ষণ দিয়েছি। আইসিটি ডিভিশন থেকে ৪৫ লাখ মানুষ ২০০ ধরনের সেবা গ্রহণ করছে। ২ লাখ তরুণকে আইসিটি প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। প্রায় ২০ লাখ তরুণের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে।”
আওয়ামী লীগের প্রচার ও প্রকাশনা উপ পরিষদের চেয়ারম্যান এইচ টি ইমামের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক হাছান মাহমুদ, উপ প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক অসীম কুমার উকিল, প্রযুক্তিবিদ মোস্তফা জব্বার, বেসিস সভাপতি শামীম আহসান।


