বৃহস্পতিবার ৫ নভেম্বর ২০২৬

পাবনায় সেবাশ্রমের সেবককে কুপিয়ে হত্যা

pabna_murder_15676_1465533664পাবনার হেমায়েতপুরে শ্রী শ্রী ঠাকুর অনুকুল চন্দ্র সৎসঙ্গ আশ্রমের সেবক নিত্যরঞ্জন পাণ্ডেকে (৬২) কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা।

শুক্রবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

নিত্যরঞ্জন পাণ্ডে গোপালগঞ্জ সদরের আরুয়া কংশু এলাকার মৃত রশিক লাল পাণ্ডের ছেলে। তিনি প্রায় ৩৮ বছর এই আশ্রমের সেবক হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

সদর থানার ওসি আব্দুল্লাহ আল হাসান জানান, প্রতিদিনের মতো ভোরে রাস্তায় হাঁটতে বেরিয়ে ছিলেন নিত্যরঞ্জন পাণ্ডে। পাবনা মানসিক হাসপাতালের উত্তরপাশে প্রধান গেটে পৌঁছালে দুর্বৃত্তরা পেছন থেকে তার ঘাড়ে ও মাথায় এলোপাতাড়ি কুপিয়ে পালিয়ে যায়।

এতে ঘটনাস্থলেই মারা যান নিত্যরঞ্জন পাণ্ডে। খবর পেয়ে পুলিশ লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠিয়েছে।

তবে কারা, কী কারণে নিত্যরঞ্জনকে হত্যা করেছে, তা জানাতে পারেননি ওসি।

তিনি বলেন, হত্যার কারণ অনুসন্ধান ও জড়িতদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হবে।

অনকুল সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক যুগল কিশোর ঘোষ জানান, নিত্যরঞ্জন খুবই নিরীহ প্রকৃতির মানুষ ছিলেন। তার কোনো শক্র ছিল না। কী কারণে তাকে হত্যা করা হল, তা তারা এখনও বুঝে উঠতে পারছেন না।

তবে সারাদেশে ধারাবাহিক হত্যাকাণ্ডের অংশ হিসেবে এই হত্যাকাণ্ড হতে পারে বলে তিনি ধারণা করছেন।

এদিকে খবর পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন পাবনা পুলিশ সুপার আলমগীর কবিরসহ আইনশৃংখলা রক্ষাকারী বাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

গত ৫ জুন চট্টগ্রামে দুর্বৃত্তদের গুলিতে ঢাকার পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের স্ত্রী মাহমুদা খানম মিতু (৩৫) নিহত হন। একই দিন নাটোরে দুর্বৃত্তরা খ্রিস্টান মুদি দোকানি সুনীল গোমেজকে (৬৫) কুপিয়ে হত্যা করে। এর দুদিন পর ৭ জুন ঝিনাইদহে আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলীকে (৬৫) কুপিয়ে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এসব হত্যার রেশ না কাটতেই পাবনায় এ হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটল।

আরও পড়ুন