হরতাল-অবরোধে সময় যাত্রাবাড়ী এলাকায় পেট্রোল বোমায় মানুষ পুড়িয়ে হত্যা মামলা এবং অপর একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন সাংবাদিক নেতা শওকত মাহমুদ। মঙ্গলবার বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি আমির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ তাকে জামিন দেন।
পেট্রোল বোমা হামলার সে মামলাটি যাত্রাবাড়ী থানায় দায়ের করে পুলিশ। এছাড়াও রাজধানীর বাড্ডা থানায় আরো দুটি মামলায় তাকে জামিন দেয় আদালত।
আদালতে শওকত মাহমুদের পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী খন্দকার মাহবুব হোসেন। অপরদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মনিরুজ্জামান কবির। তিনিই বিষয়টি জানিয়েছেন।
জানা গেছে, শওকত মাহমুদ ৪০টি মামলায় হাইকোর্ট থেকে জামিন পেয়েছেন। তার বিরুদ্ধে আরো মামলা থাকায় আপাতত কারামুক্ত হতে বাধা আছে শওকত মাহমুদের।
প্রসঙ্গত, ২০১৫ সালের ১৮ আগস্ট বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের একাংশের (বিএফইউজে) সভাপতি এ সাংবাদিক নেতাকে রাজধানীর পান্থপথের সামারাই কনভেনশন সেন্টারের গেট থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ।
এরপর ওই বছর ২৪ আগস্ট ৪ মামলার ১ দিন করে ৪ দিন এবং ১৯ আগস্ট রমনা থানার একটি মামলায় ৩ দিন এবং ২৭ আগস্ট লালবাগ থানার একটি মামলায় ১ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। এরপর গত ২৯ ফেব্রুয়ারি শাহবাগ থানার ২৪(২)১৩ নম্বর রিমান্ড এবং জামিনের উভয় আবেদন নামঞ্জুর করে জেল গেটে জিজ্ঞাসাবাদের নির্দেশ দেয় আদালত।
শ্যোন অ্যারেস্ট দেখানো হয় যাত্রাবাড়ীর ৫৮(১)২০১৫ নম্বরের ওই মামলায়। ওই মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ৩৮ জন আসামি আছেন। গত ৫ এপ্রিল মামলাটির চার্জশিট আমলে নেয়া হয়।


