প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ইতিহাস ভোলেননি; ইতিহাসের ওপর দাঁড়িয়ে বাস্তবতার নিরীখে সময়ের প্রয়োজনে জাসদের সঙ্গে রাজনৈতিক ঐক্য গড়া হয়েছে। বলেছেন, সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।
জাসদকে একটি ‘হঠকারী’ সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়ে আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলামের দেয়া বক্তব্যের পর রাজনৈতিক মহলে এ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। গত পরশু (১৩ জুন) এ বক্তব্যের পর এ বিষয়ে জাতীয় পার্টি, বিএনপি, এমনকি সরকারদলীয় নেতারাও বিভিন্ন মন্তব্য করেছেন।
এবার মন্তব্য করলেন আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ওবায়দুল কাদেরও। বুধবার দুপুরে সাভারের হেমায়েতপুরে সড়ক সংস্কারের পরিদর্শনে গিয়ে মন্ত্রী এ কথা বলেন।
এরআগে তিনি সাংবাদিকদের জানান, ঈদে যানজট নিরসনে কাঁচপুর, কালিকৈর, নবীনগর বাইপাইল, ফার্মগেট, গাবতলী, চন্দ্রা মোড়, টাঙ্গইলের এলেঙ্গাসহ ১৫টি পয়েন্ট রোভার স্কাউটের ১ হাজার স্বেচ্ছাসেবক নিয়োগ করা হয়েছে। তারা ঈদের পাঁচদিন আগে থেকে পুলিশের সহযোগীতা মাঠে কাজ করবেন।
এসময় মন্ত্রীর সঙ্গে স্থানীয় সাংসদ ডা. এনামুর রহমানসহ সড়ক ও জনপদের উধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।
গত ১৩ জুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে জাসদকে একটি ‘হঠকারী’ সংগঠন হিসেবে আখ্যা দিয়ে বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ আশরাফুল ইসলাম। তিনি বঙ্গবন্ধুর হত্যার জন্য ইনুর দল জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদকে দায়ী করেন। এরপরই এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে শুরু হয়েছে তুমুল আলোচনা, প্রতিবাদ জানায় জাসদ।
আজ দুপুরে নয়াপল্টনে এক সংবাদ সম্মেলনে ইনুর সমালোচনা করে বিএনপির সিনিয়ার যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, ‘ইনুদের মতো কিছু মানুষ যারা দেশটিকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেছেন, তাদের কারণেই আরও বেশি রক্ত ঝরেছে। অথচ প্রধানমন্ত্রী সেই হাসানুল হক ইনুকে (তথ্যমন্ত্রী) আশ্রয়-প্রশ্রয় দিচ্ছেন। আমার মনে হয়, তথ্যমন্ত্রী ইনুকে প্রধানমন্ত্রীর প্রশ্রয় দেয়ার অর্থই হচ্ছে, তার পিতার (বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান) রক্তের সঙ্গে প্রতারণা করার শামিল।’ ইনুকে ‘পঞ্চমবাহিনীর লোক’ বলেও আখ্যা দেন রিজভী।


